মাইক্রোসফট এক্সেল কম্পিউটারের জন্য সেরা ওয়ার্কশিট প্রোগ্রাম। এটি রেকর্ড রেখে এবং গণনা করার কাজ অনেক সহজ করে দেয়। এক্সেল নিজে থেকে বিয়োগসহ বিভিন্ন গাণিতিক অপারেশন সম্পন্ন করতে পারে। কিন্তু কম্পিউটার চেতনাশীল নয়, তাই আপনাকে বলতে হবে কখন বিয়োগ করবে। এক্সেলে কোনো গাণিতিক অপারেশন করার জন্য ফর্মুলা (Formula) তৈরি করতে হয়। নিচে বিয়োগ ফর্মুলার কিছু উদাহরণ দেওয়া হলো:

এক্সেল ফর্মুলা: একটি বেসিক গাইড
ফর্মুলা হলো এক্সেলকে নির্দেশ দেওয়ার মাধ্যম যে কোনো অপারেশন (সাধারণত গাণিতিক) করার জন্য এবং সেই অপারেশনটি কোন সেল বা সেলগুলোতে হবে তা বলার জন্য। এখানে শুধু বিয়োগ ফর্মুলা নিয়ে আলোচনা করা হবে। ফর্মুলা তৈরির জন্য জানা দরকার:
- ফর্মুলা শুরু করার জন্য সমান চিহ্ন (=) ব্যবহার করতে হয়। এটি এক্সেলকে বোঝায় যে এরপর যা আসছে তা একটি ফর্মুলা।
- ফর্মুলায় সরাসরি ডেটা (সংখ্যা) বা সেল রেফারেন্স (যেমন A2, B2) ব্যবহার করা যায়।
- ফলাফল দেখাতে চাইলে সেই সেলে ফর্মুলা লিখতে হয়।
- বিয়োগের জন্য ড্যাশ (–) চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।
- Enter কি চাপলে এক্সেল ফর্মুলাটি সম্পূর্ণ मानে এবং অপারেশনটি সম্পন্ন করে।
বিয়োগ ফর্মুলা তৈরি করার পদ্ধতি
নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন (উদাহরণ হিসেবে: A2 সেলের ১০ থেকে B2 সেলের ৫ বিয়োগ করা):
- ফলাফল দেখাতে চাইলে সেলটি নির্বাচন করুন।

- সেলে = চিহ্ন টাইপ করুন।

- ডেটা বা সেল রেফারেন্স দিন, মাঝপথে – চিহ্ন দিন। আপনি তিনভাবে করতে পারেন:
– সরাসরি সংখ্যা: 10–5
– সেল রেফারেন্স: A2–B2
– পয়েন্ট-এন্ড-ক্লিক: A2-এ ক্লিক করুন, – টাইপ করুন, B2-এ ক্লিক করুন।


- Enter কি চাপুন।

এন্টার চাপলেই ফলাফল (৫) সেলে দেখাবে। সেলে ক্লিক করলে Formula Bar-এ ফর্মুলাটি দেখাবে।
বিয়োগ ফর্মুলার উদাহরণ
=10–5
=A2–B2
=A2–B2–C2
=A2/C2–B2
=(A2–B2)/C2
সেল রেফারেন্স কেন র ডেটা থেকে ভালো
সেল রেফারেন্স ব্যবহার করলে যদি মূল ডেটা পরিবর্তন হয়, তবে ফলাফলটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট হয়। ফর্মুলা পরিবর্তন করতে হয় না। পয়েন্ট-এন্ড-ক্লিক মেথডে মানवीय ভুলও কম হয়। তাই যতক্ষণ না আপনি নিশ্চিত যে ডেটা কখনো পরিবর্তন হবে না, সেল রেফারেন্স ব্যবহার করুন। আপনি চাইলে র ডেটা এবং সেল রেফারেন্স মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।
আগামী জটিল ফর্মুলা তৈরি
এক্সেল শুধু বিয়োগ নয়, গুণ, ভাগ, ঘাত ইত্যাদিও করতে পারে। জটিল ফর্মুলার জন্য এক্সেল BODMAS নিয়ম মেনে চলে:
১. ব্র্যাকেটের ভেতরের অপারেশন
২. ঘাতাঙ্ক (যেমন 4^5)
৩. গুণ এবং ভাগ (*, /) — বাম থেকে ডানে
৪. যোগ এবং বিয়োগ (+, –) — বাম থেকে ডানে
এই নিয়ম জানলে আপনি সহজেই জটিল ফর্মুলা লিখতে পারবেন।