উচ্চশ্রেণির ফোনগুলোতে ডুয়াল রিয়ার ক্যামেরার প্রবণতা লক্ষ্য করলে দেখা যায়। অ্যাপল, স্যামসাং, নোকিয়া, সোনি—সব বড় ব্র্যান্ড ডুয়াল ক্যামেরা ব্যবহার করছে ভালো ছবির জন্য।
স্মার্টফোন ব্র্যান্ডগুলো ফ্ল্যাগশিপ মডেলে ডুয়াল ক্যামেরা দিয়েছে যাতে প্রফেশনাল ক্যামেরার মানের ছবি ফোন থেকে পাওয়া যায়। কিন্তু ডিএসএলআর একটি লেন্স দিয়ে কাজ করে, আবার স্মার্টফোনে ডুয়াল ক্যামেরার কি জরুরি? এই লেখায় ডুয়াল ক্যামেরার মেকানিজম ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: স্মার্টফোন থেকে ফটো অটোমেটিক ব্যাকআপের ৩টি উপায়
স্মার্টফোন ক্যামেরার হার্ড লেন্স অjusted হয় না
ডিএসএলআর-এ লেন্স অ্যাডজাস্ট বা পরিবর্তন করা যায়, কিন্তু স্মার্টফোনে নয়। ডুয়াল ক্যামেরা এই সমস্যাটি সমাধান করে—দুই ক্যামেরার মাধ্যমে ব্যাকগ্রাউন্ড ও ফোরগ্রাউন্ডের ভালো প্লে দিয়ে বোকেহ (Bokeh) ইফেক্ট তৈরি করা যায়।
ছবির উৎস: Shutterstock
চলমান বস্তুর ভালো ছবি তোলা
চলমান বস্তুর ছবি তোলার সময় দুটি ক্যামেরা একসাথে ছবি তোলে। স্মার্টফোনের শক্তিশালী প্রসেসর এবং ইমেজ প্রসেসিং ইঞ্জিন দুটি ছবির সেরা পিক্সেলগুলো বেছে নিয়ে একটি উজ্জ্বল, চôtা এবং স্পষ্ট চূড়ান্ত ছবি তৈরি করে।
আরও পড়ুন: অ্যান্ড্রয়েড ফোনের জন্য ১০টি সেরা ইউএসবি ক্যামেরা
ডুয়াল লেন্সে ভালো জুম সম্ভব
সাধারণ ফোনে ডিজিটাল জুম থাকে, যা ছবির মান নষ্ট করে। ডুয়াল ক্যামেরা ফোনে অপটিক্যাল জুম পাওয়া যায়—দুই লেন্স মিলে জুম করার পরও চ الار ছবি তোলা যায়। উদাহরণস্বরূপ, আইফোনের প্রাইমারি ক্যামেরা ওয়াইড-অ্যাঙ্গেল এবং সেকেন্ডারি টেলিফোটো। তবে কম আলোতে অপটিক্যাল জুমে সমস্যা হতে পারে।
অগমেন্টেড রিয়ালিটির (AR) জন্য ডুয়াল ক্যামেরা উপযোগী
AR অ্যাপগুলো ডুয়াল ক্যামেরা ছাড়া চলতে পারে, কিন্তু ডুয়াল ক্যামেরা যুক্ত ডিভাইসে দূরত্ব এবং আলোর অবস্থা আরও সঠিকভাবে মাপা যায়। ফলে ভার্চুয়াল অবজেক্ট রিয়াল ওয়ার্ল্ডে আরও ভালো প্লেসমেন্ট পায়। লেনোভো ফ্যাব ২ প্রো ডুয়াল লেন্স দিয়ে ফিজিক্যাল স্পেস সঠিকভাবে মাপে।
ডুয়াল ক্যামেরা কনসেপ্ট নতুন নয়—২০১১ সালে এলজি অপ্টিমাস ৩ডি এবং এইচটিসি ইভো ৩ডি এর মতো ফোনে ছিল। তবে হার্ডওয়্যার সীমাবদ্ধতায় সেগুলো জনপ্রিয় হয়নি। এখন ডুয়াল ক্যামেরা স্মার্টফোন কেনা ভবিষ্যতের জন্য বুদ্ধিমানের সিদ্ধান্ত।