স্টিফেন হকিং এএলএস (Amyotrophic Lateral Sclerosis) রোগী ছিলেন, এবং ১৯৯৭ সালে ইন্টেল তাঁর জন্য একটি কম্পিউটার তৈরি করেছিল যা তাঁর জীবন সহজ করেছিল।
১৯৯৭ সালে ইন্টেল যদি এমন ডিভাইস বানাতে পারত, তবে ২০২৫ সালে কী করবে? প্রতি বছর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে নতুন গবেষকরা যোগ দিচ্ছেন, যারা দৈনন্দিন কাজ আরও সহজ করে দিচ্ছেন।
ন্যানোটেকনোলজি এবং চিপ ডিজাইনের উন্নতির কারণে আমরা বিশাল, বিনীত কম্পিউটার থেকে ব্যাটারি-চালিত, পোর্টেবল, স্লিম এবং হালকা ল্যাপটপে এসে পড়েছি।
ভবিষ্যতের যুদ্ধ: ল্যাপটপ বনাম স্মার্টফোন। কে জিতবে?
এটি গবেষকরা এবং হালকা সফটওয়্যার ব্যবহারকারীদের জন্য আলোচনার বিষয়। যারা জটিল সফটওয়্যার, গবেষণা, ডেভেলপমেন্টের কাজ করেন, তাদের জন্য স্মার্টফোন এখনো উপযুক্ত নয়। তাই কম্পিউটার থাকবে।
প্রযুক্তিগত উন্নতির সাথে ল্যাপটপ স্মার্ট ল্যাপটপ-এ রূপ নেওয়ার সম্ভাবনা আছে।
স্মার্ট ল্যাপটপ: ভবিষ্যতের যুদ্ধ ফলাফল!!
ভবিষ্যতের ল্যাপটপগুলো এভাবেই ডাকা হবে। ল্যাপটপ উদ্ভাবন করপোরেট লোকদের জন্য বরদান ছিল যারা ভ্রমণ সময় কাজের সমস্যায় পড়ত। স্মার্টফোন জনপ্রিয় হলেও ব্যবসায়িক কাজের জন্য তার ওএস পুরোপুরি সাপোর্ট করে না।
কি হয় যদি ল্যাপটপ মোবাইল ফোন যত ছোট, কলম যত স্লিম বা হ্যাঙ্কারচিফের মতো ফোল্ড হয়ে ব্যাগে রাখা যায়? আমরা মনে করি এর জন্য মিলিয়ন পurb-booking হবে।
স্মার্টফোনের ফিচারগুলো—ছোট আকার, ওয়ায়ারলেস/সৌর চার্জিং, অতিশয় হালকা—শীঘ্রই ল্যাপটপে আসবে এবং কম্পিউটিংয়ের একটি নতুন যুগ শুরু হবে।
ভবিষ্যতের স্মার্ট ল্যাপটপের কিছু কল্পনা:
- পেন ল্যাপটপ: এটি সবচেয়ে ভিন্ন ফিচার। কলমের মতো জেবে রাখা যাবে। প্রজেকশন ফিচার দিয়ে ভয়েস কমান্ড বা বাটন ক্লিক করলেই স্ক্রিন এবং কীবোর্ড প্রজেক্ট হবে। মার্কেটিং পেশাদারদের জন্য এটি প্রথম পছন্দ হবে।
- হাতের কবজে বিশ্ব (Watch Laptop): কাঁচা ওলেড স্ক্রিন দিয়ে তৈরি এই ল্যাপটপ হাতের কবজে পরা যাবে। বালিশ ল্যাপটপ ব্যাগ ও ব্র্যান্ডেড ঘড়ির প্রয়োজন নেই। কীবোর্ড ও ডিসপ্লে প্রজেকশন দিয়ে কাজ করবে।
- ইনসাইক্লোপিডিয়া গ্লাস: কাঁচের ফ্রেমের মতো এই ল্যাপটপের সারফেসে ক্যামেরা এবং ইন্টারনেট থাকবে। যেকোনো জিনিস ফ্রেমে আনলেই তার সব তথ্য পাওয়া যাবে।
- ম্যাট ল্যাপটপ / ল্যাপটপ চার্ট: চাড়ার মতন রোল হয়ে যাবে, ব্যাগে খুব কম জায়গা নেবে। বোতলের আকারে হলে ব্যাগের বোতল পকেটে রাখা যাবে।
- ডুয়াল ফাংশনালিটি ল্যাপটপ: ল্যাপটপের পাশাপাশি ব্যবহারকারীর দরকার অনুযায়ি মেকআপ কিট, সুগন্ধ ছড়ানোর সিস্টেম, বাচ্চা নজরদারির ক্যামেরা, ফিটনেস ট্র্যাকার ইত্যাদি থাকতে পারে।
- কম্পিউটারের ভেশে বন্ধু: সেন্সর দিয়ে আপনার মুড পড়ে সঙ্গীত বাজাবে, উতসাহবর্ধক উক্তি দেখাবে বা জোকস বলবে।
- ফ্লিক দিয়ে কপি (Copy with a flick): এক সিস্টেম থেকে অন্য সিস্টেমে ডেটা কপি করা যাবে শুধু আঙুল ফ্লিক করলে। পেন ড্রাইভের বাজার হ্রাস পাবে।
- ওয়ায়ারলেস চার্জিং: ফোনের মতো ল্যাপটপেও ওয়ায়ারলেস চার্জিং থাকবে।
এই ফিচারগুলো ১০ বছর পর ল্যাপটপে দেখতে পাওয়া যেতে পারে। প্রযুক্তির বক্সে কী আছে কেউ জানে না, তবে একটা নিশ্চিত—ল্যাপটপ বর্তমান থেকে খুব আলাদা হবে। আমরা বेचैनीসহ অপেক্ষা করছি।