কেমব্রিজ অ্যানালিটিকা স্ক্যান্ডাল কি চোখ উন্মীলনী ছিল না? বারবার ফেসবুকের প্রাইভেসি লঙ্ঘন খবরে আসছে। প্রতিবার ফেসবুক ফলাফল স্বীকার করে, নীতিমালা কড়া করার প্রতিশ্রুতি দেয়—কিন্তু নতুন স্ক্যান্ডাল আবার আসে। প্যাটার্ন কি?
ফেসবুক মিলিয়ন মিলিয়ন ইনস্টাগ্রাম ইউজারের পাসওয়ার্ড এনক্রিপশন ছাড়া (plain text) সার্ভারে সংরক্ষণ করেছে। প্রথমে বললো "দশ হাজার", পরে আপডেট দিয়ে বললো "মিলিয়ন"। ফেসবুক Sprecher দাবি করলো, "এই পাসওয়ার্ডগুলো অপব্যবহার হয়নি।"
তবে প্রশ্ন: যদি হ্যাক হয়ে যেত, কে দায়ী? ফেসবুকের/frontend-এর এই লাপরওয়ाही ভয়াবহ। একই দিন রবার্ট মুলারের রিপোর্ট প্রকাশ হলো—খারাপ টাইমিং।
ফেসবুক ইতিমধ্যে সরকারি এজেন্সির নিরীক্ষায়। এই খবর আগুনে ঘি দিতে পারে। আমরা নিরাশ। ফেসবুক বুঝতে হবে: ইউজার ডেটা রক্ষা তাদের দায়িত্ব। বিশ্বাস হারালে ইউজার বেসও হারাবে।