ভাইরাস নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি কী?
এটি একটি কম্পিউটার কোড যা ডিভাইসগুলির মধ্যে ছড়ানোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। ম্যালওয়্যারের অন্য নাম ভাইরাস। এটি প্রায়শই তথ্য ফাঁস করে বা ডিভাইস ক্ষতিগ্রস্ত করে।
কম্পিউটার ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য কী?
কম্পিউটার ভাইরাস এক্সিকিউটেবল প্রাকৃতির। এক্সিকিউট করতে হয়—তবে নিজে এক্সিকিউট করে বা অন্য ফাইলে কোড জুড়ে দেয়। এক্সিকিউট না করলে কোনো ক্ষতি করে না এবং তা গুরুত্বহীন। নিজে নিজে রিপ্লিকেট করার ক্ষমতা ভাইরাসের অন্য একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য।
ভাইরাস কম্পিউটার ভাইরাস কী?
ডিভাইসগুলির মধ্যে ছড়ানোর জন্য ডিজাইন করা কম্পিউটার কোড। ম্যালওয়্যারের অন্য নাম। বায়োলজিক্যাল ভাইরাসের মতো যা রোগ করে—উसीভাবে কম্পিউটার ভাইরাস কাজ করে।
কম্পিউটারে ভাইরাসের প্রকারভেদ কী?
ফাইল-ইনফেক্টিং ভাইরাস এক্সিকিউটেবল প্রোগ্রামে আক্রমণ করে। ম্যাক্রো ভাইরাস Microsoft Word এবং Excel-এ পাওয়া যায়। ব্রাউজার হাইজ্যাকার আক্রমণ। ওয়েব ব্রাউজার স্ক্রিপ্টিং ভাইরাস। বুট সেক্টর ভাইরাস। পলিমর্ফিক ভাইরাস। রেজিডেন্ট ভাইরাস। মাল্টিপার্টাইট ভাইরাস।
কম্পিউটার ভাইরাসের বৈশিষ্ট্যগুলো কী?
নতুন উইন্ডো খোলার বারবার অনুরোধ। হোমপেজ পরিবর্তন। ইমেইল অ্যাকাউন্ট থেকে ম্যাস ইমেইল পাঠানো। ঘন ঘন ক্র্যাশ। কম্পিউটার অস্বাভাবিকভাবে ধীর। অজানা প্রোগ্রাম স্টার্টআপে চলতে থাকা। পাসওয়ার্ড অস্বাভাবিকভাবে পরিবর্তন।
কম্পিউটার ভাইরাসের ৪টি প্রকার
মাল্টিপার্টাইট ভাইরাস—অপারেটিং সিস্টেম, ফোল্ডার এবং প্রোগ্রামে একসাথে আক্রমণ। ডায়রেক্ট অ্যাকশন ভাইরাস। ব্রাউজার হাইজ্যাকার। ওভাররাইট ভাইরাস। ওয়েব ব্রাউজার স্ক্রিপ্টিং ভাইরাস। ফাইল ইনফেক্টর। নেটওয়ার্ক ভাইরাস। বুট সেক্টর ভাইরাস।
ইন্টারনেটে ভাইরাস কী?
হোস্টের জ্ঞান ছাড়াই হোস্টের কম্পিউটারে কন্টামিন্যান্ট প্রবেশ করালে মাইক্রোবিয়াল ইনফেকশন হয়।
ভাইরাসের ৩টি প্রকার
টোব্যাকো মোজেইক ভাইরাসের মতো সিলিন্ড্রিক্যাল হেলিক্যাল ভাইরাস। HIV এবং ইনফ্লুয়েনজা—লিপিড এনভেলপ वाले এনভেলপড ভাইরাস। অধিকাংশ প্রাণী ভাইরাস আইকোসাহেড্রাল আকারের এবং গোলাকার।
ভাইরাসের প্রকারভেদ
ম্যাক্রো ভাইরাস হাই-লেভেলে লিখিত (C-এর মতো লো-লেভেল নয়)। ভিজুয়াল বেসিকে লেখা হলে লো-লেভেল কাউন্টারপার্ট নেই। সোর্স কোড ভাইরাস। পলিমর্ফিক ভাইরাস। এনক্রিপ্টেড ভাইরাস। স্টিলথ ভাইরাস। টানেলিং ভাইরাস। মাল্টিপার্টাইট ভাইরাস। আর্মर्ड ভাইরাস।
এন্টিভাইরাস কি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি?
অনলাইন ও কম্পিউটার সিকিউরিটিতে এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডেটা চুরি, সিকিউরিটি ব্রিচ এবং অন্যান্য হুমকি থেকে রক্ষা করে ডিটেক্ট করে। ম্যালওয়্যার হলো যেকোনো সফ্টওয়্যার যা রেট্রোएक্টিভ মেথডে ইনস্টল হয়—ভাইরাস, স্পাইওয়্যার এবং অন্যান্য ক্ষতিকর সফ্টওয়্যার।
কম্পিউটার ভাইরাসের দুটি উদাহরণ দিন।
ট্রোজান—বৈধ প্রোগ্রামের আড়ালে লুকিয়ে নেটওয়ার্ক এবং ডিভাইসে ছড়ায়। র্যানসমওয়্যার—ফাইল এনক্রিপ্ট করে র্যানস মাগে।
কম্পিউটার ভাইরাসের কিছু উদাহরণ
মরিস ওয়ার্ম ("Great Worm")। নিকডা। আই লাভ ইউ। SQL স্ল্যামার। স্টাক্সনেট। ক্রিপ্টোলকার। টিনবা। জিনবা।
কম্পিউটার ভাইরাস এবং এর প্রকারভেদ
কম্পিউটার ভাইরাস হলো ম্যালিশিয়াস কোড বা প্রোগ্রাম যা কম্পিউটারের কাজকর্ম পরিবর্তন করে এবং অন্য কম্পিউটারকে সংক্রামিত করে। ম্যাক্রো সাপোর্টযুক্ত ইনফেক্টেড প্রোগ্রাম বা ডকুমেন্টে ভাইরাস যোগ বা সংযুক্ত করা যায়।
কম্পিউটার ভাইরাস কী এবং কেন এটিকে ভাইরাস বলা হয়?
হোস্টের জ্ঞান ছাড়াই হোস্টের কম্পিউটারে কন্টামিন্যান্ট প্রবেশ করালে মাইক্রোবিয়াল ইনফেকশন হয়। ১৯৮৩ সালে ফ্রেড কোহেন رسميةভাবে সংজ্ঞায়িত করেন। কম্পিউটার ভাইরাস প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয় না—মানুষই তৈরি করে।
ভাইরাস কম্পিউটারে কিভাবে আসে?
ইনফেক্টেড ফাইল ডাউনলোড করলে (জানাবুঝে বা অজানে)। চুরির গান/সিনেমা, ফটো, ফ্রি গেম, টুলবার, স্প্যাম ইমেইল আট্যাচমেন্ট—এই সব পথে ভাইরাস আসে।
কম্পিউটারে ভাইরাসের ৩টি প্রকার
ম্যাক্রো ভাইরাস—মানবদেহে সবচেয়ে বড় প্রভাব ফেলে। বুট ভাইরাস বা সিস্টেম ভাইরাস—বুট রেকর্ডে আক্রমণ করে। ফাইল ইনফেক্টর ভাইরাস—ফাইল সংক্রামিত করার জন্য।
বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার ভাইরাস
বুট আপ করার আগে বা সময়ে কম্পিউটার ওভারটেক করে নিয়ন্ত্রণ নেয়। ওয়েব ব্রাউজার এবং ওয়েব পেজে স্ক্রিপ্টিং দিয়ে আক্রমণ। ব্রাউজার হাইজ্যাকার। রেজিডেন্ট ভাইরাস। ডায়রেক্ট অ্যাকশন ভাইরাস। পলিমর্ফিক ভাইরাস। ফাইল ইনফেকশন ভাইরাস। মাল্টিপার্টাইট ভাইরাস।