এখন যেকোনো মুহূর্তে ফটো তোলা যেতে পারে, তাই নিজের চমৎকার ছবি তোলা একদম সহজ। যদি একই পুরনো ক্যামেরা অ্যাপ ব্যবহার করে বিরক্ত হন, তবে কিছু অ্যাপ আছে যা আপনার সাধারণ সেলফিকে স্পাইসি করবে।
এই অ্যাপগুলো দিয়ে নতুন ইফেক্ট, ফটো ফিল্টার, স্টিকার এবং আরও ফিচার পাওয়া যায় যাতে সেলফি যেভাবেই চান তেভাবেই পরিবর্তন করতে পারেন। সেলফি लेनेवाले অনেক অ্যাপ আছে, কিন্তু সবই ভালো কাজ করে না। তাই সেরা কিছু সেলফি অ্যাপের লিস্ট দেয়া হলো যাতে সার্চ ছাড়া পজ দিতে পারেন।
১. Facetune 2
Facetune সেলফি ফটোতে ফেসিয়াল ফিচার রিফাইন ও এডিট করার জন্য বিখ্যাত। এডিটিং অপশন বহুল, কিন্তু ক্রিয়েটিভ এডিটিং ফিচারও রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ফটোর ব্যাকড্রপ চেঞ্জ করা, পেইন্ট করা, ফিল্টার ব্যবহার করা ইত্যাদি।
চুলের রঙ পরিবর্তন করে দেখতে পারেন কেমন লাগবে, বা পোশাকের ডিজাইন পরিবর্তন করা যায়। ফ্রি ভার্সন আছে, কিন্তু বেশি ফিচার চাইলে পেমেন্ট দরকার।
২. BeautyPlus
এটি একটি অল-ইন-ওয়ান সেলফি এডিটর, যেখানে ডায়রেক্টলি ফটো ও ভিডিও তোলা যায়। ক্যামেরা ব্যবহার সময় ফিল্টার অ্যাড করলে ফেসিয়াল ফিচার অ্যাল্টার বা ইফেক্ট যোগ হয়।
ফটো তোলা বা ক্যামেরা রোল থেকে সিলেক্ট করলে মেকআপ ফিচার, স্মুথিং, রিশেপিং ইত্যাদি দিয়ে এডিট করা যায়। লাইটিং এডিট, প্রি-মেড ফিল্টার, স্টিকার, বর্ডার, টেক্সট যোগ করা যায়।
BeautyPlus Premium-এ সব ফিচার, কিন্তু ফ্রি ভার্সনেও অনেক ফিচার পাওয়া যায়। 충분 সেটিংস রয়েছে চমৎকার ফটোর জন্য। ফ্রি ট্রাই করুন, পছন্দ হলে Premium কিনুন।
৩. FaceApp
FaceApp পপুলার হলো ফেস-অ্যাল্টারিং ফিচারের জন্য—বুড়ো দেখানো, অন্য জেন্ডারে কেমন দেখব, ফেস সওয়াপ ইত্যাদি। সাধারণ ফটো এডিটিং ফিচারও রয়েছে।
ফেস-চেঞ্জিং ফিচারগুলো মজার ফটো তৈরি করে। ক্লিয়ার পিকচার ইউজ করলে ফেস ডিটেকশন ভালো হয়। অধিকাংশ ফ্রি, কিছু ফিচার পেয়ওয়ালের পিছনে। সেলফি এডিটিং বা শুধু হাসির জন্যও দুর্দান্ত অ্যাপ।
৪. AirBrush
AirBrush-এ অ্যাপের ভিতরেই ক্যামেরা দিয়ে সেলফি তোলা যায়। এর অনন্য বৈশিষ্ট্য: রিয়েল-টাইমে এডিট প্রিভিউ দেখা যায় ফটো তোলার আগে। ইন্টারফেস Snapchat-এর মতো, তাই Snapchat ইউজারদের সহজ লাগবে।
ইউজ করা ফটো আপলোড করে এডিটও করা যায়। অরিজিনাল ও এডিটেড ফটো কম্পেয়ার করার বাটন রয়েছে। অন্য সেলফি অ্যাপের মতো প্রিমিয়াম প্ল্যানে অনেক ফিচার, কিন্তু ফ্রি ফিচারই দিয়ে চমৎকার সেলফি তৈরি করা যায়।
৫. YouCam Makeup
YouCam Makeup-এ অনেক ফিচার রয়েছে, ফোকাস মেকআপে বেশি। নির্দিষ্ট মেকআপ স্টাইল কেমন লাগবে দেখতে চাইলে ভালো অ্যাপ, তবে ছবি খুব রিয়েলিস্টিক নাও হতে পারে।
আর্টিস্টিক ফটো চাইলে অপশন প্রচুর। রিশেপিং, টোনিং, ব্রাইটেনিং মতো টচ-আপ ফিচারও রয়েছে।
ফটো এডিটিং ছাড়া কমিউনিটি অ্যাসপেকটও রয়েছে—অন্যদের মেকআপ দেখুন বা নিজের পোস্ট করুন। ফেস অ্যানালাইসিস দিয়ে স্কিন প্রবলেম খুঁজে বের করা যায়। মেকআপ পছন্দ হলে সেলফি বা মেকআপ-রিলেটেড কাজের জন্য চমৎকার।
৬. Lensa
Lensa রিয়েলিস্টিক এডিটের জন্য অ্মেজিং সেলফি এডিটর—অতিরিক্ত রি-টাচ ছাড়া এক্যুরেট চেঞ্জ করে। ফেস অ্যানালাইসিস ভালো করে, তাই অনেক সেলফি এডিটিং অ্যাপের মতো অফ-পুটিং লুক দেয় না। প্রাকৃতিক সেলফি এডিটর চাইলে Lensa সঠিক পছন্দ।
ফ্রি ভার্সনে দিনে ৩টি ফটো এডিট করা যায়, সব ফিচার উপলব্ধ। বেশি ফটো এডিট করতে চাইলে কিনুন—ইয়ারলি, মাসিক বা সাপ্তাহিক প্ল্যান রয়েছে।