নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির চার প্রকার
- Access Control System
- Antivirus ও Anti-malware Software
- Application Security Assessment
- Behavioral Analytics
- Data Loss Prevention
- Distributed Denial of Service (DDoS) Prevention
- Email Security System
- Firewalls
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি আক্রমণের পাঁচ প্রকার
- সেনসিটিভ তথ্য চুরি (ক্রেডিট কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ড)
- কম্পিউটার ভাইরাসের হুমকি
- Malware/Ransomware
- Security program ধরা ছদ্ম সফটওয়্যার
- Denial-of-Service আক্রমণ
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির মূল উদ্দেশ্য
নেটওয়ার্ক ও ডেটাকে ব्रीচ, ইন্ট্রুশন এবং অন্যান্য হুমকি থেকে রক্ষা করা নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির প্রধান দায়িত্ব। এটি একটি সর্বাঙ্গিন টার্ম যার মধ্যে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সমাধান, প্রসেস এবং কনফিগারেশন রয়েছে যা নেটওয়ার্কের ব্যবহার, অ্যাক্সেসিবিলিটি এবং সুরক্ষা নিশ্চিত করে।
বিভিন্ন নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি হুমকি
ভাইরাস, ওয়ার্ম, স্পাইওয়্যার এবং র্যানসমওয়্যার—এইসব হলো ম্যালওয়্যারের উদাহরণ। ম্যালিশিয়াস লিংক বা অ্যাটাচমেন্টে ক্লিক করলে ম্যালওয়্যার ইনস্টল ও এক্টিভেট হয়। Cisco-এর রিপোর্ট অনুযায়ী ম্যালওয়্যার kryty 컴পোনেন্টগুলোর অ্যাক্সেস ব্লক করতে পারে (র্যানসমওয়্যার)।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির তিনটি মূল নীতি
Confidentiality (গোপনীয়তা), Integrity (সার্বিকতা), এবং Availability (উপলব্ধতা)—এই তিনটি নীতি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির জন্য বিবেচনীয়। নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশন বা প্রেক্ষাপটে কোনো একটি নীতি অন্যদের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
নেটওয়ার্ক ইনফ্রাস্ট্রাকচার রক্ষার তিনটি পদ্ধতি
- নেটওয়ার্কের প্রতিরক্ষা বাড়ান।
- Anti-malware ও Anti-virus সফটওয়্যার ব্যবহার করুন।
- কর্মচারীদের এই বিষয়ে শিক্ষিত করুন।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির প্রকারভেদ
Network Access Control, IT Security Policies, Application Security, Vulnerability Patch Management, Data Loss Prevention, Antivirus Software, Endpoint Detection And Response (EDR), Email Security, Wireless Security, IDS/IPS, Network Segmentation ইত্যাদি।
৪ ধরনের হুমকি
Direct threats, Indirect threats, Veiled threats, এবং Conditional threats—এই চারটি ক্যাটাগরি। Direct threats সরাসরি টার্গেট চিহ্নিত করে, স্পষ্ট ও সরল ভাষায় ডেলিভার করা হয়।
৫টি সাম্প্রতিক নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সমস্যা
- ২০২০ সালে ৯০% ব್ರೀচে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার হয়েছিল, যার ৯০% ছিল ফিশিং।
- Ransomware দিয়ে ডেটা চুরি।
- DoS আক্রমণ।
- থার্ড-পার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার।
- Cloud computing-related vulnerabilities।
৫টি সিকিউরিটি হুমকি
- ফিশিং আক্রমণ
- Malware attacks
- Ransomware
- दुর্বল পাসওয়ার্ড
- Insider threats
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটিতে আক্রমণের ধরন
Malware (Spyware, Ransomware, Viruses, Worms), Phishing, Man-in-the-Middle, Denial of Service, SQL Injection, Zero-day Exploit, DNS Tunneling।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?
গৃহ ও ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক দুটোই সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত জরুরি। আপনার বাসায় ওয়াই-ফাই রাউটার থাকতে পারে। সেটি যথাযথভাবে সুরক্ষিত না থাকলে এক্সপ্লয়েট হতে পারে। ডেটা লস, চুরি এবং কমপ্রোমাইজের ঝুঁকি কমাতে নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি জরুরি।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি দিয়ে একটি কোম্পানি তার ইনফ্রাস্ট্রাকচার এবং ব্যবহারকারীদের রক্ষা করে, Потেনশিয়াল হানিকারক হুমকিগুলো নেটওয়ার্কের ভিতরে ঢুকতে বা ছড়াতে পারবে না।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির মূল কম্পোনেন্ট
Firewalls, Intrusion Prevention Systems (IPS), Network Access Control (NAC), Security Information and Event Management (SIEM)—এই চারটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি Data Loss Prevention (DLP), Antivirus/Anti-malware, Application/Web/Email Security।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি হুমকি ও তার প্রকার
প্রতিটি মেশিনে ম্যালওয়্যার থাকতে পারে, তিনটি প্রধান ম্যালওয়্যার: Ransomware, Viruses, Worms—এগুলো ডিভাইস ইনফেক্ট করে পুরো নেটওয়ার্কে ছড়ায়। DDoS আক্রমণে সার্ভার ওভারলোড হয়ে ওয়েবসাইট, সার্ভার, অ্যাপ্লিকেশন অফলাইন হয়ে যায়।
কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সিকিউরিটি হুমকি
Software attacks, Intellectual property theft, Identity theft, Equipment/Information theft, Sabotage—এইসব Information Security হুমকির উদাহরণ।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি হুমকি (যে কোনো তিনটি ব্যাখ্যা)
- Phishing
- DDoS Attack
- Malware
- Brute Force Hacking