নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির কী সিদ্ধান্তগুলো?
- গোপনীয়তা (Confidentiality): তথ্য কে কে অ্যাক্সেস করবে তা নিয়ন্ত্রণ
- অথেন্টিকেশন (Authentication): ব্যবহারকারী/সিস্টেমের পরিচয় যাচাই
- অখণ্ডতা (Integrity): ডেটা অপ্রমাণিতভাবে পরিবর্তন হয় না নিশ্চিত করা
- নন-রিপুডিয়েশন (Non-repudiation): কারো কর্তৃত্ব অস্বীকৃতি করা যাবে না
- অ্যাক্সেস কন্ট্রোল (Access Control): সুযোগ-সুবিধা অনুযায়ী অনুমতি দেওয়া
- উপলব্ধতা (Availability): প্রয়োজনীয় সেবা সবসময় উপলব্ধ থাকা
৫টি মৌলিক সিকিউরিটি সিদ্ধান্ত
- Least Privilege: শুধু প্রয়োজনীয় অ্যাক্সেস দিন
- Defense in Depth (Layering): একাধিক নিরাপত্তা স্তর প্রয়োগ করুন
- Fail-Safe Defaults: ডিফল্টভাবে অ্যাক্সেস অস্বীকৃত
- Economy of Mechanism: সিস্টেম যতটা সম্ভব সহজ রাখুন
- Complete Mediation: প্রতিটি অ্যাক্সেস চেক করুন
৩টি কী সিকিউরিটি সিদ্ধান্ত (CIA Triad)
তথ্য নিরাপত্তার তিনটি স্তম্ভ: Confidentiality (গোপনীয়তা), Integrity (অখণ্ডতা), Availability (উপলব্ধতা)। এটিকে CIA Triad বলা হয়। প্রতিটি নিরাপত্তা নিয়ম/নিযন্ত্রণ এই তিনটির কমপক্ষে একটি বাস্তবায়ন করতে হয়।
৬টি সিকিউরিটি সিদ্ধান্ত (GDPR অনুযায়ী)
- কানুনসঙ্গততা, ন্যায়সঙ্গতা ও স্বচ্ছতা
- উদ্দেশ্য সীমাবদ্ধতা
- ডেটা মিনিমাইজেশন
- সঠিকতা (Accuracy)
- স্টোরেজ লিমিটেশন
- অখণ্ডতা ও গোপনীয়তা (Integrity & Confidentiality)
৫টি সৌরভের নিরাপত্তা সিদ্ধান্ত (DoD Five Pillars)
অমেরিকা ডিপার্টমেন্ট অফ ডিফেন্সের মডেল অনুযায়ী: গোপনীয়তা, অখণ্ডতা, উপলব্ধতা, অথেন্টিকেশন, নন-রিপুডিয়েশন।
নিরাপত্তার মৌলিক সিদ্ধান্ত
CIA Triad (গোপনীয়তা, অখণ্ডতা, উপলব্ধতা) হল নিরাপত্তার তিনটি মৌলিক স্তম্ভ। একটি সফল নিরাপত্তা প্রোগ্রামের এটিই মূল চাবিকাঠি।
৭টি নিরাপত্তা লেয়ার (OSI মডেল ভিত্তিক)
- Human Layer (মানুষ/প্রশিক্ষণ)
- Perimeter Layer (ফায়ারওয়াল, পেরিমিটার)
- Network Layer (VLAN, সেগমেন্টেশন, ACL)
- Endpoint Layer (অ্যান্টিভাইরাস, EDR)
- Application Layer (WAF, সিকিউর কোডিং)
- Data Layer (এনক্রিপশন, DLP, ব্যাকআপ)
- Mission Critical Layer (কোর বিজনেস সিস্টেম)