৩জি হলো ওয়ায়ারলেস টেকনোলজির তৃতীয় প্রজন্ম। এটি পূর্বের টেকনোলজির চেয়ে উন্নত: হাই-স্পিড ট্রান্সমিশন, এডভান্সড মাল্টিমিডিয়া অ্যাক্সেস, গ্লোবাল রোমিং।
প্রায়শই মোবাইল ফোন ও হ্যান্ডসেটে ৩জি ব্যবহার হয় ইন্টারনেট বা IP নেটওয়ার্কে কানেক্ট হওয়ার জন্য—ভয়েস ও ভিডিও কল, ডেটা আপলোড/ডাউনলোড, ওয়েব ব্রাউজিং।
৩জি স্ট্যান্ডার্ড যদিও কিছু সেলুলার প্রোভাইডারের ফলব্যাক হিসেবে কাজ করে, কিন্তু ৪জি স্ট্যান্ডার্ড দ্বারা এটা সুপারসিডেড হয়েছে, যা আবার ৫জি সার্ভিস দ্বারা এক্লিপ্স হচ্ছে।
৩জির ইতিহাস
ITU ১৯৯০-এর দশকে "G" প্যাটার্ন শুরু করে International Mobile Communications 2000 ইনিশিয়েটিভ নেয়। ৩জি আসে ২জি এবং ২.৫জি (দ্বিতীয় প্রজন্ম) এর পরে।
- ২জি: GSM (Global System for Mobile) ইত্যাদি।
- ২.৫জি: GPRS, EDGE, UMTS ইত্যাদি—২জি ও ৩জির মাঝপথ।
৩জি কীভাবে ভালো?
২.৫জি এবং পুরনো নেটওয়ার্কের চেয়ে ৩জির উন্নতি:
- অনেকগুণ বেশি ডেটা স্পিড
- উন্নত অডিও ও ভিডিও স্ট্রিমিং
- ভিডিও কনফারেন্সিং সাপোর্ট
- উচ্চ গতিতে Web ও WAP ব্রাউজিং
- IPTV (ইন্টারনেটে টিভি) সাপোর্ট
টেকনিক্যাল স্পেসিফিকেশন
- ট্রান্সফার রেট: দ্রুত চলমান ডিভাইসের জন্য ১২৮-১৪৪ kbps, ধীরে চলমান (প্যাডেস্ট্রিয়ান) ৩৮৪ kbps। ফিক্সড ওয়ায়ারলেস LAN-এ ২ Mbps+।
- টেকনোলজি/স্ট্যান্ডার্ড: W-CDMA, WLAN, সেলুলার রেডিও ইত্যাদি।
ব্যবহারের জন্য প্রয়োজনীয়তা
- Wi-Fi-র মতো হটস্পটে ফ্রি নয়—সার্ভিস প্রোভাইডারের সাবস্ক্রিপশন (ডেটা প্ল্যান/নেটওয়ার্ক প্ল্যান) লাগে।
- ডিভাইস SIM কার্ড (মোবাইল) বা ৩জি ডেটা কার্ড (USB, PCMCIA ইত্যাদি) দিয়ে কানেক্ট হয়, যা প্রোভাইডার দিয়ে/বিক্রি করে।
- এই কার্ডها ৩জি নেটওয়ার্ক রেঞ্জে থাকলে ইন্টারনেট দেয়। ব্যাকওয়ার্ড কম্প্যাটিবিলিটি রয়েছে—৩জি ফোন ২জি সার্ভিস পায় যদি ৩জি না থাকে।
৩জির ভবিষ্যৎ
২০১০-এর দশকের শুরুতে ৩জির ক্রেজ কমেছে; অধিকাংশ ডিভাইস এখন ৪জি সাপোর্ট করে, ৩জি ফলব্যাক হিসেবে থাকে। বিশ্বের কিছু অংশে (বিশেষে গ্রামীণ এলাকা) ৩জি এখনও ব্যাকবোন সার্ভিস।