উইন্ডোজের পরেই macOS সবচেয়ে জনপ্রিয় ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম। এটা শুধু আপল ম্যাক/ম্যাকবুকের জনপ্রিয়তার ফলাফল নয়—macOS X নিজে একটা চমৎকার আধুনিক ডেস্কটপ ওএস। উইন্ডোজ বা লিনাক্সের চেয়ে macOS পছন্দ করার অনেক কারণ আছে, কিন্তু বড় বাধা: আপল হার্ডওয়্যারের উঁচু দাম। বর্তমান ম্যাক এবং উইন্ডোজ কম্পিউটার বেসিকলি একই হার্ডওয়্যার শেয়ার করে, তাই নন-আপল কম্পিউটারে macOS চালানো সম্ভব—একে "হ্যাকিন্টষ" বলা হয়।
হ্যাকিন্টষ সম্পর্কে শুনে থাকলে এবং নিজে বানাতে চাইলে, রুট নেওয়ার আগে গুরুত্বপূর্ণ প্রস-কনগুলো দেখে নিন।
Pro: macOS পাওয়ার সবচেয়ে সস্তা উপায়
ম্যাক্স ব্যয়বহুল। যদি macOS অভিজ্ঞতা চান কিন্তু হাজার হাজার ডলার খরচ করতে পারেন না, তবে হ্যাকিন্টষ একমাত্র অপশন হতে পারে। বিশেষ করে যদি ইতিমধ্যে কম্প্যাটিবল হার্ডওয়্যার থাকে।
Pro: আপলের স্পেকের চেয়ে ভালো পারফরম্যান্স কম খরচে
একই বাজেটে ম্যাক কেনার চেয়ে হ্যাকিন্টষ বানালে পারফরম্যান্সে অনেক आगे যাওয়া যায়। আপলের প্রিমিয়াম দাম ডিজাইন ও বিল্ড কোয়ালিটির জন্যও, কিন্তু পারফরম্যান্স-পার-ডলার দৃষ্টিতে হ্যাকিন্টষ জিতেছে।
Pro: পিসির লচকilidad
লেটেস্ট ম্যাক প্রো বাদ দিয়ে আধুনিক আপল কম্পিউটার আপগ্রেডযোগ্য নয়। সঠিক স্পেকের সাথে অর্ডার না করলে নতুন কেনা ছাড়া পথ নেই। হ্যাকিন্টষ হলো সাধারণ পিসি—সিপিইউ, জিপিইউ, র্যাম সহজে আপগ্রেড করা যায়।
Pro: macOS-এক্সক্লুসিভ সফটওয়্যার অ্যাক্সেস
সৃষ্টিশীল পেশায় (ফিল্ম এডিটিং, মিউজিক প্রোডাকশন, গ্রাফিক ডিজাইন) অনেক সফটওয়্যার শুধু macOS-এ। ম্যাক কেনা সম্ভব না হলে হ্যাকিন্টষ স্টপগ্যাপ হিসেবে কাজ করে। অনেক ইনস্টিটিউট ম্যাকেই প্রশিক্ষণ দেয়, তাই উইন্ডোজ/লিনাক্সে রূপান্তর কঠিন।
Con: জটিল ও টেকনিক্যাল
হ্যাকিন্টষ বানানো সহজ নয়। খুব নির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার লিস্ট থেকে বানাতে হয়, ইনস্টলেশন প্রক্রিয়াও জটিল। পারফেক্টলি ফলো করলেও কাজ করার গ্যারান্টি নেই। আপডেটের সময় সতর্ক থাকতে হয়, কম্প্যাটিবিলিটির জন্য রিডান্ডান্ট হার্ডওয়্যার লাগে। "ইট জাস্ট ওয়ার্কস" আপিল সুবিধা হারিয়ে যায়। একটা আপডেট ইনস্টলেশন ভাঙিয়ে দিতে পারে—তাই অনেক হ্যাকিন্টষ একবার চলে গেলে আপডেট বন্ধ রাখে।
Con: আপলের অনেক সুবিধা হারিয়ে যায়
ম্যাক ও macOS জনপ্রিয় কারণ: ব্যবহারে সহজ, אינ্টুইটিভ ইন্টারফেস, লো-স্পেকেও ভালো পারফরম্যান্স, সুপার স্টেবল। এগুলো শুধু macOS-এ নয়—আপল ক্লোজড ইকোসিস্টেমে হার্ডওয়্যার জানে, macOS সেটি জন্য লিখা ও টেস্ট করা। এন্ড-টু-এন্ড কন্ট্রোলের কারণে স্টেবল।
হ্যাকিন্টষে সেটি সত্য নয়। কিছু হার্ডওয়ার কাজ করবে না, কিছু শুধু কখনো কখনো কাজ করবে। আপডেটের সুবিধা নেই, আপল সাপোর্টও নেই (আপনি তাদের কাস্টমার নন)। বড় চিত্র থেকে বাদ দিলে macOS-এর চমক হারিয়ে যায়।
Con: 법적으로 의심스러움
সबচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কন। উইন্ডোজের মত macOS আলাদা সফটওয়্যার হিসেবে বিক্রি হয় না। আপল শুধু তাদের হার্ডওয়্যারে macOS লাইসেন্স দেয়। আপনি সফটওয়্যার মালিক নন—শর্তসাপেক্ষ লাইসেন্স পান। হ্যাকিন্টষ সেটি লঙ্ঘন করে। আপল চাইলে হ্যাকিন্টষারদের আইনি কার্রোয়াই করতে পারে (সাধারণত প্রাইভেট ইউজারের কাছে নয়, সেলারদের কাছে)। আপনার নৈতিক কম্পাস নির্দেশ করবে, কিন্তু আপলকে হ্যাকিন্টষ নিষিদ্ধ করার অধিকার আছে।
Con: আপল ইন্টেল ছাড়া যেতে পারে
দীর্ঘমেয়াদী দৃষ্টিভঙ্গি। হ্যাকিন্টষ সম্ভব হয়েছে কারণ আপল ইন্টেল সিপিইউতে এসেছে। কিন্তু অ্যাপল নিজস্ব সিপিইউ (আইফোন/আইপ্যাডের চিপ) ম্যাকেও আনতে পারেন। সেটি হলে হ্যাকিন্টষ আন্দোলনের শেষ। লম্বা সময় ধরে হ্যাকিন্টষ চিন্তা করলে ভবিষ্যতে সফটওয়্যার আপডেট পথ ব্লক থাকবে।
আপনি কি হ্যাকিন্টষ বানাবেন?
বেশির ভাগ মানুষের জন্য উত্তর "না"। হ্যাকিন্টষ সবসময় হবিবিস্ট/হবি প্রজেক্ট, সিরিয়াস অ্যাল্টার্নেটিভ নয়। কম্প্যাটিবল হার্ডওয়্যার থাকলে হবি হিসেবে ট্রাই করা যাবে। কিন্তু এক্সপ্রেস উদ্দেশ্যে ম্যাকওএস চালাতে কম্পিউটার কেনা/বানানো সুপারিশ করি না। রিফারবিশড ম্যাক বা লেটেস্ট ম্যাকবুক এয়ার (ভালো ভ্যালু) বিবেচনা করুন।
আপনি কি হ্যাকিন্টষ বানিয়েছেন? অভিজ্ঞতা কেমন ছিল? কমেন্টে শেয়ার করুন—কেন কেউ হ্যাকিন্টষ রুট নেবে বা নেবে না।