আক্রমণকে হুমকি, ভালনারেবিলিটি ও ক্ষতির পারস্পরিক সম্পর্ক দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা হয়। ভাইরাস ও ওয়ার্ম প্রতিরোধের জন্য আপ-টু-ডেট অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার প্রয়োজন। কম্পিউটার অপরাধ বা অপব্যব্যবহারের সাথে জড়িত নিরাপত্তা হুমকি:
১. কম্পিউটার ভাইরাস (Computer Viruses)
ম্যালওয়্যার যা বিদ্যমান ফাইল বা প্রোগ্রামে ক্ষতিকর কোড সংযুক্ত করে। এটি একাধিক উপায়ে ছড়িয়ে পড়ে। নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা হুমকির সবচেয়ে সাধারণ ধরন। ৯০% ভাইরাস ইমেইল অ্যাটাচমেন্ট দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে। তবে সতর্ক ব্যবহারকারীর کار্যকলাপ এটি রোধ করতে পারে, কারণ ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশের জন্য ব্যবহারকারীর কর্ম প্রয়োজন।
২. ট্রোজান হর্স (Trojan Horses)
এই ম্যালওয়্যার নিজেকে ভালো কিছু (খেলা, সার্চ রেজাল্ট পেজ) হিসেবে প্রচ্ছন্ন করে। একবার ইনস্টল হলে কিলগার ডাউনলোড করে কিবোর্ডের প্রতিটি কী-স্ট্রোক রেকর্ড করে ব্যবহারকারীর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে। সাধারণত ওয়েবসাইটের ফ্রি ডাউনলোডেবল অ্যাপ্লিকেশনে লুকিয়ে থাকে। ফ্রিওয়্যার ডাউনলোড ব্লক করলে এটি রোধ করা যায়।
৩. স্প্যাম (Spam)
প্রতিদিন বিশ্বব্যাপী পাঠানো ইমেইলের ৭০%-৮৪% স্প্যাম। IT রিসোর্সে বড় চাপ সৃষ্টি করে। স্প্যাম ইমেইলে অননুমোদিত প্রোডাক্ট প্রোমোশন ও ব্যান্ডউইথ জামাতে কোঅর্ডিনেটেড আক্রমণ থাকে। "নিউজ সার্ভিস" স্প্যাম ব্যবহার করে লেজিটিমেট নিউজ হেডলাইন দিয়ে ব্যবহারকারীকে ফাঁসিয়ায়। ভালো ইমেইল ফিল্টার ও সতর্কতা থেকে বাঁচা যায়। অনলাইন সার্ভিস বা ফ্রিবি সাইন-আপ করার আগে ভাবতে হয়।
৪. ফিশিং (Phishing)
"URGENT: Update Account Status" ধরনের ইমেইল দিয়ে স্প্যামার অ্যাকাউন্ট তথ্য ফিশ করে। স্প্যাম ইমেইলে লিংক থাকে যা অসুরক্ষিত ওয়েবসাইটে নেয় এবং সেটাকে আসল মনে করে ব্যবহারকারী অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস (ক্রেডিট কার্ড নম্বর, পাসওয়ার্ড) দিয়ে ফেলে। ওয়েবসাইট আসল দেখানো সত্ত্বেও নকল হয়।