তথ্য নিরাপত্তার প্রধান টেকনিক্যাল এলাকা মূল CIA দ্বারা সংজ্ঞায়িত: গোপনীয়তা (Confidentiality), অখণ্ডতা (Integrity), প্রমাণীকরণ (Authentication) বা উপলব্ধতা (Availability)। গোপনীয়তা মানে অনধিকার পক্ষ ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে না।
অ্যাক্সেস কন্ট্রোল মেইনটেইন করা মানে শুধু ইউজারদের তাদের জন্য নির্ধারিত রিসোর্স ও সার্ভিসে অ্যাক্সেস দেয়া নয়, বরং যেসব রিসোর্সে তারা ভালোভাবে অ্যাক্সেস পাওয়ার অধিকারী সেগুলো থেকে বঞ্চিত করা নয়।
নন-রিপুডিয়েশন (Non-repudiation) মানে মেসেজ পাঠানো ব্যক্তি পাঠানো থেকে মোড়া ফিরাতে পারবে না এবং পাওয়া ব্যক্তি পাওয়া থেকে মোড়া ফিরাতে পারবে না। এই টেকনিক্যাল উপাদানগুলির বাইরে তথ্য নিরাপত্তার ধারণাগত পরিধি وسیع ও বহুমুখী।
তথ্য নিরাপত্তা ম্যানেজারের জন্য গোপনীয়তা, অখণ্ডতা, প্রামাণিকতা প্রধান চিন্তা, কিন্তু ওয়েব ব্যবহারকারীদের জন্য গোপনীয়তা (Privacy) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক।
প্রধান দিকগুলো
- প্রামাণিকতা (Authenticity): অথেন্টিকেশন নিশ্চিত করে ইউজাররা যারা বলে তারাই। উপলব্ধতা নিশ্চিত করে অনুমোদিত পক্ষ রিসোর্স পায়; "ডেনায়াল অফ সার্ভিস" আক্রমণ উপলব্ধতার বিরুদ্ধে। নিরাপত্তা প্রফেশনালের চিন্তা: অ্যাক্সেস কন্ট্রোল ও নন-রিপুডিয়েশন। অথোরাইজেশন = অনুমোদিত/অননুমোদিত ইউজার ও অ্যাক্সেস লেভেল বarni করা। প্রামাণিকতা = সিস্টেমে সতত চেক চালিয়ে সংবেদনশীল জায়গাগুলো সুরক্ষিত ও সঠিক কাজ করছে কিনা নিশ্চিত করা।
- অখণ্ডতা (Integrity): তথ্য অনধিকার পরিবর্তন থেকে রক্ষিত যা অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের কাছে লক্ষণীয় নয়। হ্যাকিং ঘটনা ডেটাবেস ও রিসোর্সের অখণ্ডতা ভাঙে।
- নির্ভুলতা (Accuracy): ইনফরমেশন সিস্টেম ও এর ডেটার নির্ভুলতা ও সম्पূর্ণতা প্রশাসনিক চিন্তা। বাহ্যিক বা কর্মচারী দ্বারা অনuchিত পরিবর্তন বা ধ্বংস সংস্থাকে প্রভাবিত করতে পারে। প্রতিটি সংস্থা কন্ট্রোল তৈরি করবে যাতে ডেটা এন্ট্রি ও স্টোরেজে সম্পূর্ণ ও নির্ভুল হয় এবং প্রসারিত ডেটার নির্ভুলতা থাকে।
- গোপনীয়তা (Confidentiality): শুধু প্রেরক ও প্রাপক(রা) মেসেজ কন্টেন্ট পড়তে পারবে। অনধিকার ব্যক্তি পড়লে গোপনীয়তা ভাঙে।
- অ্যাক্সেস কন্ট্রোল (Access Control): কে কী অ্যাক্সেস করবে সেটি নির্ধারণ। উদাহরণ: ইউজার A ডেটাবেসের ডেটা দেখতে পারবে কিন্তু আপডেট করতে পারবে না। অ্যাক্সেস কন্ট্রোল মেকানিজম ইনস্টল করে এটা বাস্তবায়ন করা যায়। অ্যাক্সেস কন্ট্রোল দুটি এলাকায় জড়িত: রোল ম্যানেজমেন্ট (ইউজার সাইড) ও রুল ম্যানেজমেন্ট (রিসোর্স সাইড)।