কম্পিউটার টিউটোরিয়াল

কেন ফেসবুক লাইট volled অ্যাপের চেয়ে ভালো পারফর্ম করে

ফেসবুক লাইট (২০১৫) হলো লাইটওয়েট ভার্সন—খুব কম ইন্টারনেট সংযোগের জন্য ডিজাইন করা। মূল অ্যাপ থেকে কিছু ফিচার বাদ দেওয়া হলেও অপ্টিমাইজেশন ভালো।

ফেসবুক vs ফেসবুক লাইট
  • সাইজ: লাইট ১.৫ MB, মূল ৫৫ MB।
  • নেটওয়ার্ক: লাইট ২G-এ চলে, মূল ৪G লাগে।
  • প্রিলোডিং নেই: লাইটে মিডিয়া ক্লিক না করলে লোড হয় না—ডেটা বাঁচায়।
  • অটোপ্লে শুধু Wi-Fi-তে: মূল অ্যাপে সবসময়, লাইটে শুধু ওয়াইফাই।
  • ফোটো কোয়ালিটি কম: লো-রেজুলেশন অপশন থেকে ডেটা বাঁচান।
  • ট্যাব নেভিগেশন: লাইটে স্বাইপ নেই, ট্যাপ করে লোড করতে হয়।
  • UI: লাইটে মেনু/সার্চ টপে, মূলে বটমে।
  • টেক্সট/বাটন ছোট: লাইটে কম রিসোর্স খায়।
  • মেসেঞ্জার: লাইটে Messenger Lite (কম স্পেস) ব্যবহার করুন।
  • স্টিকার: লাইটে কম অপশন (GIF, ইমোজি লিমিটেড)।
সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি

দুই ভার্সনই একই পারমিশন চায়, একই সিকিউরিটি প্রোটোকল। ডেটা মেইনটেইন কোম্পানির ওপর।

ডাউনলোড

Play Store / App Store-এ সব দেশে উপলব্ধ।

ফাইনাল ভার্ডিক্ট

ভালো ইন্টারনেট/ফোন থাকলে মূল অ্যাপই ভালো। কিন্তু স্লো কানেকশন, পুরনো ফোন, লো-এন্ড ডিভাইসে লাইট বরদান। কম র‍্যাম, সিপিইউ, ডেটা খায়। স্ক্রলিং একটু স্লো লাগতে পারে। ব্রাউজারেও ফেসবুক চালানো যায়।

  1. Facebook অ্যাকাউন্টকে থার্ড-পার্টি অ্যাপ থেকে আলাদা করুন

  2. স্কাইপ লাইট পরিচিতি: ভারতীয় ব্যবহারকারীদের জন্য নিখুঁত যোগাযোগ

  3. ফেইসবুক লঞ্চ করলো নতুন মোবাইল গেমিং অ্যাপ

  4. টুইটার ফেসবুক থেকে কেন বেড়ে: ৭টি মূল সুবিধা