উইন্ডোজ ১১ অনেক ফিচার ও ভালো অভিজ্ঞতা দিচ্ছে, কিন্তু এই আপডেটটি ইউজারদের উইন্ডোজ ১১ রিসেট করতে বলতে পারে। আসলে কী ঘটছে সেটি জানি।
বিল্ড সম্পর্কে ছোট তথ্য
Windows Insider Preview Build 22567 ইউজারদের PC রিসেট করতে বলছে। আশা করা হয় সবার জন্য রিলিজ হলে সব উইন্ডোজ ১১ ইউজারকে PC রিসেট করতে বলবে।
ফ্যাক্টরি রিসেট দাবিকারী ফিচার: Smart App Control
Build 22567-এ Smart App Control (SAC) ফিচার আছে। এটি অপরিশ্চিত অ্যাপ ও ম্যালিশাস হুমকি রোধ করে। মাইক্রোসফট সিকিউরিটি ব্লগে বলেছে—
"Smart App Control ব্রাউজার প্রোটেকশনের পেরিয়ে OS-র কোরে প্রসেস লেভেলে কাজ করে। কোড সাইনিং ও AI ব্যবহার করে শুধু সेफ প্রডিক্টেড প্রসেস (কোড সার্টিফিকেট বা মাইক্রোসফট ক্লাউডে AI মডেল বেসড অ্যাপ ট্রাস্ট) রান করার অনুমতি দেয়।"
Smart App Control ফিচার কীভাবে পাবেন?
Build 22567 ইনস্টল করতে ক্লিন ইনস্টল বা ফ্যাক্টরি রিসেট দরকার। কারণ ফিচারটি OS লেভেলে কাজ করে। ফ্রেশ রিসেট দিয়ে Smart App Control ব্যাকগ্রাউন্ডে ম্যালিশাস অ্যাপ ছাড়া PC সুরক্ষিত রাখে।
Smart App Control (SAC) ফিচারের প্রাসঙ্গিকতা
উইন্ডোজ ১১-এ এন্ড্রয়েড অ্যাপ চলে, সেজন্য স্ট্রং ডিফেন্স দরকার। Google Play Store বা অন্য স্টোরে ম্যালিশাস অ্যাপ ডিফেন্স ভেদে যেতে পারে। OS লেভেলে কাজ করার কারণে Smart App Control ছলনামূলক অ্যাপের ইচ্ছা নষ্ট করতে পারে।
Build 22567-এর অন্যান্য ফিচার
রিসেট করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে এই ফিচারগুলো জানুন—
- Settings অ্যাপ থেকে Microsoft 365, OneDrive, Office Web Apps ম্যানেজ।
- ফার্স্ট-টাইম উইন্ডোজ ১১ সেটআপ সময় এন্ড্রয়েড ফোন লিংক।
- রিনিউয়েবল এনার্জি বেশি থাকা সময় আপডেট শিডিউল করে কার্বন এমিশন কমাবে (যোগ্য লোকেশন ও প্লাগড-ইন থাকলে)।
উইন্ডোজ কম্পিউটার ফ্যাক্টরি রিসেট কিভাবে করবেন?
উইন্ডোজ ১১ ব্যবহার করলে ফ্যাক্টরি রিসেটের ধাপ:
- Win+I → Settings।
- বাম থেকে System → দায়ে Recovery।

- Reset this PC-র পাশে Reset PC বাটন।

- স্ক্রিনশটের মতো অপশন বেছে নিন।
কেন বা কখন উইন্ডোজ ১১/১০ PC ফ্যাক্টরি রিসেট করতে হয়?
ফ্যাক্টরি রিসেট জানা অনেক সমস্যার সেরা ট্রাবলশুটিং স্টেপ এবং বছরে একবার করা উচিত। কিন্তু এর আগে PC ব্যাকআপ নিন বা হার্ড ডিস্ক ক্লোন করুন।
১. কম্পিউটার বेचছেন: সব ডেটা ও সেটিংস মুছে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ।
২. দীর্ঘদিনে স্লাগিশ/অনরেসপন্সিভ PC: ট্রাবলশুটিং কাজ না করলে রিসেট বেস্ট।
৩. OS আপগ্রেডের আগে পর্যাপ্ত স্পেস নেই: রিডান্ডান্ট অ্যাপ, লগ, ক্যাশ মুছে ফাঁকি করতে রিসেট।
৪. ম্যালিশাস হুমকি সন্দেহ, এন্টিভাইরাসও ফেল: রিসেট করুন।
৫. ক্রিটিক্যাল রেজিস্ট্রি এরর: ভুল রেজিস্ট্রি মডিফিকেশনের পর ডিফল্টে ফেরত আসার সহজ উপায় রিসেট।
আরও পড়ুন: উইন্ডোজ ১০ PC রিসেট না হলে কী করবেন?
ফ্যাক্টরি রিসেট করার সময় সতর্কতা
১. আপনার ডেটা রিস্কে: সাউন্ড ব্যাকআপ স্ট্র্যাটেজি রাখুন। "Keep my files" অপশন দিয়ে ফাইল রাখা যায় (অ্যাপ/সেটিংস যাবে)। ম্যালওয়্যার ফাইলে পৌঁছানো থাকলে "Remove everything" বেছে নিন। AOMEI Backupper Standard দিয়ে ব্যাকআপ/ক্লোন করুন।
কেন AOMEI Backupper Standard?
- পার্টিশন সহ একাধিক ব্যাকআপ অপশন
- ক্লাউড ব্যাকআপ সাপোর্ট
- সোর্স থেকে ডেস্টিনেশন ফাইল সিঙ্ক
- ডিস্ক/পার্টিশন সহজে ক্লোন
- বুটেবল মিডিয়া তৈরি
AOMEI Backupper Standard ব্যবহার:
- ডাউনলোড, ইনস্টল, রান করুন।
- বাম প্যানেল থেকে ব্যাকআপ টাইপ সিলেক্ট।

- Add Disk → সোর্স অ্যাড করুন।

- ডেস্টিনেশন লোকেশন অ্যাড করুন।
- Start Backup।
- ডিস্ক/পার্টিশন ক্লোন করতে: বাম থেকে Clone → সোর্স ডিস্ক → ডেস্টিনেশন ডিস্ক → Next।



২. বারবার ফ্যাক্টরি রিসেট করবেন না: ৬ মাস বা ১ বছরের গ্যাপ রাখুন। ঘন ঘন রিসেট করলে RAM-এ প্রভাব পড়তে পারে।
৩. অ্যাপ ও সেটিংস মাইগ্রেট করার উপায় খুঁজুন: লাইসেন্স কী ব্যাকআপ নিন, AOMEI Backupper Professional দিয়ে মাইগ্রেট করুন।
৪. সঠিক প্রসেস মেনে রিসেট করুন: নিশ্চিত হোন আপনি কী করছেন। ভুল করলে ইনফিনিট লুপ বা কম্পিউটার অপারেবল নাও হতে পারে।
উপসংহার
আপনি কতবার ফ্যাক্টরি রিসেট করেছেন? উইন্ডোজ ইনসাইডার বিল্ডে Smart App Control পাওয়ার সুযোগ পেলে কি করবেন? কমেন্টে জানান। আরও কনটেন্টের জন্য WeTheGeek পড়ুন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ফলো করুন – Facebook, Instagram, YouTube।