কম্পিউটার টিউটোরিয়াল

আগামি দশককে আকার দেবার ২১টি প্রযুক্তি – भाग ১

ট্রাম্প ক্ষমতায় আসা, ষ্টকহোম আক্রমণ, মিশর জরুরি অবস্থা ঘোষণা ইত্যাদি বিশ্বের অর্থনৈতিক বৃদ্ধিকে বাধা দিচ্ছে। এই সবके মধ্যেও প্রযুক্তি শিল্পটিই একটুই প্রভাবিত হয়নি। বরং এটি পূর্বের চেয়ে দ্রুতগতিতে অগ্রসর হচ্ছে।

এটি কেবল বড়ছে না, বরং আগামি দশকের জন্য লক্ষ্যগুলো নিয়েছে এবং সেগুলোর ওপর কাজও শুরু কর चुका। যেকোনো কিছু বর্তমানে আমাদের কাছে دستیاب, যদিও এগুলো প্রাথমিক স্তরের পণ্য। আরও পরিপক্ব ও জটিল পণ্যগুলো এখনো আসা বাকি।

এই ব্লগে আমি আগামি দশকে আমরা যেসব প্রযুক্তি পাবো, সেগুলোর তালিকা দিচ্ছি।

আগামি দশকের ২১টি বড় প্রযুক্তি

১. টেলিপ্রেজেন্স (Telepresence)

আগামি দশককে আকার দেবার ২১টি প্রযুক্তি – भाग ১

টেলিপ্রেজেন্স রোবোটিক রিমোট কন্ট্রোলের একটি উন্নত রূপ যেখানে মানব অপারেটর 로কেশন-এ উপস্থিত থাকার অনুভূতি পায়, যেন ভার্চুয়াল রিয়েলিটি। রিমোট-নিযন্ত্রিত রোবট এবং মানব অপারেটর একে অপরের থেকে অনেক দূরে থাকতে পারে। কন্ট্রোল ও ফিডব্যাক টেলিমেট্রি দিয়ে তার, অপ্টিক্যাল ফাইবার, ওয়ায়ারলেস লিংক বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে হয়।

২. পঞ্চম প্রজন্মের ওয়ায়ারলেস (৫জি)

আগামি দশককে আকার দেবার ২১টি প্রযুক্তি – भाग ১

মোবাইল ডেটা খরচ প্রতিদিন বেড়ে যাচ্ছে, তাই কমিউনিকেশন প্রযুক্তি উন্নত করতে হবে। ৪জি চূড়ান্ত নয়। খুব দ্রুত আমরা কমিউনিকেশনের পরবর্তী লহর ৫জি অনুভব করব।

৫জি হলো ওয়ায়ারলেস প্রযুক্তির পরবর্তী প্রজন্মের নাম, কিন্তু এখনো এর স্ট্যান্ডার্ড ও স্পেসিফিকেশন আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ইউনিট দ্বারা প্রকাশিত হয়নি। বর্তমান দরকার মোবাইল নেটওয়ার্ক ঘনতর করা এবং গ্রাহকদের বড়ে যাওয়া চাহিদা পূরণ করা।

৫জির সাথে অর্জন করার লক্ষ্যে কিছু মূল লক্ষ্য:

  1. উল্লেখযোগ্যভাবে দ্রুত ডেটা স্পিড
  2. অ أل্ট্রা-কম লেটেন্সি
  3. একটি আরও "সংযুক্ত বিশ্ব"

৩. কম্পিউটার ভিশন (Computer Vision)

আগামি দশককে আকার দেবার ২১টি প্রযুক্তি – भाग ১

কম্পিউটার ভিশন হলো প্রযুক্তি যা কম্পিউটার বা মেশিনকে মানুষের মতো দেখতে এবং দৃষ্টিগতভাবে আশেপাশের জগত বোঝার ক্ষমতা দেবে। বাজারে র‍্যাঞ্জ সেন্সর আছে যা মেশিনকে মানুষের মতো আচরণ করवाয়।

কম্পিউটার ভিশন ক্যামেরার থেকে ভিডিও ইনপুট সেন্সর হিসেবে ব্যবহার করে। ভিডিও সেন্সর হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ টুল যা মেশিনে মানুষের আচরণ অনুকরণের দিকে ধাপ নেওয়ায় সাহায্য করবে।

এই প্রযুক্তি ভিডিও বা চবির স্ট্রিম থেকে স्वয়ংক্রিয়ভাবে χρήজনীয় তথ্য এক্সট্রাক্ট, বিশ্লেষণ ও বোঝার মাধ্যমে চমৎকার ফলাফল দিতে পারে।

এমাজন গো স্টোর (Amazon Go Store) কম্পিউটার ভিশনের একটি উদাহরণ।

৪. মিক্সড রিয়েলিটি (Mixed Reality)

আগামি দশককে আকার দেবার ২১টি প্রযুক্তি – भाग ১

মিক্সড রিয়েলিটি হলো বাস্তব ও ভার্চুয়াল বিশ্বের মিলন যাতে ফিজিক্যাল ও ডিজিটাল অবজেক্ট সহ-অস্তিত্ব রেখে ইন্টারঅ্যাক্ট করতে পারে। এটাকে হাইব্রিড রিয়েলিটিও বলা হয়।

সমস্ত অনুরূপ প্রযুক্তির চেয়ে মিক্সড রিয়েলিটির অसीম সম্ভাবনা আছে। এটি ভবিষ্যতে ফোন Til প্রতিস্থাপন করতে পারে। এর লক্ষ্য অগমেন্টেড রিয়েলিটি ও ভার্চুয়াল রিয়েলিটির সেরা বৈশিষ্ট্যগুলো একত্রিত করা। এটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি থেকে বাস্তব রিয়েলিটি পর্যন্ত সারাসরি পরিস্থিতির স্পেকট্রাম অফার করে। এখানে অগমেন্টেড রিয়েলিটি, অগমেন্টেড ভার্চুয়ালিটি ইত্যাদি অন্যান্য মিক্সড কনফিগারেশনও থাকতে পারে।

বর্তমান সময়ের সেরা উদাহরণ: মাইক্রোসফট হোলোলেন্স (HoloLens), ম্যাজিক লিপ (Magic Leap) ইত্যাদি।

৫. স্বায়ত্তশাসিত যান (Autonomous Vehicles)

আগামি দশককে আকার দেবার ২১টি প্রযুক্তি – भाग ১

স্বায়ত্তশাসিত গাড়ি হলো এমন যান যা পরিবেশ অনুধাবন কর mennesker ইনপুট ছাড়া নেভিগেট করতে পারে। যানগুলোর অটোমেশন মেকাট্রনিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মাল্টি-এজেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে অর্জিত হয়। এগুলো এখনো বাজারে কমার্শিয়ালি উপলব্ধ নয়, কিন্তু গুগল বড় কোম্পানি ডিজাইন ও টেস্ট করছে।

অটোমেটেড কারগুলো কার মালিকানা এবং লাস্ট মাইল ট্রাভেলের নতুন ধারণা দিয়েছে এবং লজিস্টিক্স ও পণ্য বিতরণের পদ্ধতিকে রেডিক্যালি পরিবর্তন করার সম্ভাবনা রাখে।

৬. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence)

আগামি দশককে আকার দেবার ২১টি প্রযুক্তি – भाग ১

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক জন ম্যাককার্থি বলেন, "কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা হলো বুদ্ধিমান মেশিন, বিশেষত বুদ্ধিমান কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরির বিজ্ঞান ও প্রকৌশল।"

এই প্রযুক্তিতে কম্পিউটার, কম্পিউটার-নিযন্ত্রিত রোবট বা সফটওয়্যারকে মানুষের মস্তিষ্কের মতো বুদ্ধিমানভাবে চিন্তা করা শেখানো হয়। AI-এর সরল লক্ষ্য মানুষের বুদ্ধিমত্তা মেশিনে বাস্তবায়ন করা যাতে সেগুলো চিন্তা, শিখে এবং মানুষের মতো আচরণ করতে পারে। অন্য লক্ষ্য এক্সপার্ট সিস্টেম তৈরি করা—যে সিস্টেম বুদ্ধিমান আচরণ দেখাবে, শিখবে, প্রদর্শন করবে, ব্যাখ্যা করবে এবং পরামর্শ দেবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভিত্তি হলো আর্টিফিশিয়াল নিউরাল নেটওয়ার্ক যা AI-এর লক্ষ্য অর্জন সম্ভব করে।

আর্টিফিশিয়াল নিউরাল নেটওয়ার্ক হলো জৈব নিউরাল নেটওয়ার্কের কাঠামো ও ফাংশনعلى ভিত্তি করে একটি কম্পিউটেশনাল মডেল।

৭. নিউরোসায়েন্স (Neuroscience)

নিউরোসায়েন্স হলো স্নায়ুতন্ত্র কীভাবে বিকশিত হয়, এর কাঠামো এবং এটি কী করে তার অধ্যয়ন। মস্তিষ্ক, মেরুদণ্ড এবং নিউরন বলা সংবেদনশীল স্নায়ু কোষের নেটওয়ার্ক সহ স্নায়ুতন্ত্রের অধ্যয়ন। প্রযুক্তির দ্রুত উন্নতি এবং মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র কীভাবে কাজ করে সেটি সম্পর্কে জ্ঞানের মিলনে অগ্রগতি হয়েছে যা একসময় কেবল সাইন্স ফিকশন ছিল, আজ সেটি নিউরোসায়েন্স নামে বড়-बর্ধমান বৈজ্ঞানিক অধ্যয়নের ক্ষেতে পড়েছে।

সকল প্রযুক্তিগত উন্নতির মধ্যে, আমাদের মস্তিষ্ক এবং কম্পিউটারের মধ্যে সরাসরি সংযোগ মানুষের দৃষ্টিতে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ পদ্ধতি। ব্রেইন-মেশিন ইন্টারফেস विकসিত হয়েছে এবং এটি আমাদের পরিচয়, দায়িত্ব এবং মানব উন্নতির গ্রহণযোগ্য সীমার ধারণাকে চ্যালেঞ্জ করতে যাচ্ছে।

আমাদের কাছে নন-ইনভেসিভ টেকনিকও আছে যা খোপের পৃষ্ঠ থেকে ইলেক্ট্রোএনসেফেলোগ্রাম সিগন্যাল রেকর্ড করে। এই টেকনিক গেমিং মডেল, গাড়ি চালানো এবং सैनিকদের টেলিপাথিকভাবে কথা বলতে সাহায্য করতে ব্যবহৃত হচ্ছে।

৮. ক্রিস্টাল বল ইন্টারনেট (Crystal ball Internet)

এই ক্রিস্টাল বল আপনার জন্য তারকা অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যৎ বলবে না। বরং এটি "টেক্সট মাইনিং" (Text Mining) দিয়ে আগামী ঘটনাগুলো পূর্বানুমান করবে। এটি অনলাইনে উপলব্ধ বিশাল ডেটা বিশ্লেষণ করে, ব্লগ, টুইট, ফেসবুক আপডেট ও ইনস্টাগ্রাম পোস্টে প্রকাশিত সেন্টিমেন্ট নমুনা নেয়। এই বিশ্লেষণ দিয়ে বিশ্বের মানুষের মিজাজ এবং আগামী ঘটনা সম্পর্কে অনন্য অন্তর্দৃষ্টি পাওয়া যায়।

গবেষকরা শেয়ার বাজারের গতিপূর্বানুমানের প্রোগ্রামও বানিয়েছেন। গুগল যথারিত সার্চ কোয়েরি দিয়ে সম্ভাব্য পরিস্থিতি পূর্বানুমান করবে। উদাহরণস্বরূপ, চাকরির জন্য বেশি সার্চ বেরোজগاری বেড়ে যাওয়ার ইঙ্গিত দেয়।

৯. ডিজিটাল ওয়ালেট (Digital Wallets)

আগামি দশককে আকার দেবার ২১টি প্রযুক্তি – भाग ১

ডিজিটাল ওয়ালেট বলতে একটি ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে বোঝায় যা ব্যক্তিকে ইলেকট্রনিক ট্রানজেকশন করতে দেয়। এতে কম্পিউটার দিয়ে অনলাইন কেনাকাটা বা স্টোরে স্মার্টফোন দিয়ে কেনাকাটা অন্তর্ভুক্ত।

মানববিজ্ঞানীদের মতে, বাহিরে যাওয়ার সময় অধিকাংশ লোক তিনটি জিনিস রাখে: চাবি, ওয়ালেট এবং সেলফোন। ডিজিটাল ওয়ালেট শেষ দুটিকে একসাথে মিলিয়ে ক্যাশ-ফ্রি করে দিতে পারে। আরোভাবে, এই প্রযুক্তি যুগে সবকিছু ডিজিটাল হচ্ছে, টাকাও তదনুসারে।

১০. কম্পিউটার আইওয়ার (Computer Eyewear)

আগামি দশককে আকার দেবার ২১টি প্রযুক্তি – भाग ১

স্ন্যাপচ্যাট গ্লাস ইতিমধ্যে বাজারে দস্তক দিয়েছে। আগামি দশকে আমরা ছবি তোলা ও সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করার পদ্ধতিতে বদলাব দেখব। আপনার স্মার্ট হলিডে গ্লাসেই সেটি করে দেবে।

YouGen.tv-এর ডিজাইন টিম এটাই করতে চাইছে। প্রথম ব্যক্তির দৃষ্টিকোণ থেকে ক্যাপচার করা ডেটা সোশ্যাল নেটওয়ার্কে স্ট্রিম করা যাবে, যার শিক্ষার ক্ষেত্রে অসীম সম্ভাবনা রয়েছে কারণ আপনি অন্যের চোখে দুনিয়া দেখতে পারবেন।

১১. জিনোম সিকোয়েন্সিং (Genome Sequencing)

আগামি দশককে আকার দেবার ২১টি প্রযুক্তি – भाग ১

জিনোম মানব কোষের বিল্ডিং ব্লক। জিনোম সিকোয়েন্সিং হলো DNA নুক্লিওটাইড বা বেসের ক্রম নির্ধারণ—অর্থাৎ A, C, G, T-এর ক্রম যা একটি জীবের DNA গঠন করে।

জিনোমে মানব শরীর সম্পর্কে অনেক গোপন তথ্য রয়েছে এবং এই জিনোম অধ্যয়ন রোগের মূল কারণ অনাবরণ করতে পারে।

জিনোম সিকোয়েন্সিংকে প্রায় "ডিকোডিং"-এর সাথে তুলনা করা হয়। জিনোম সিকোয়েন্স একটি रहস্যময় ভাষার অতিলম্বা অক্ষর স্ট্রিং।

আগামি দশকের প্রযুক্তিগুলো এই তালিকাতেই সীমাবদ্ধ নয়। তালিকা খুব দীর্ঘ। বাকি প্রযুক্তিগুলো পরবর্তী ব্লগে বর্ণনা করব।

  1. ১৯৯৭: ৯০ দশকের মাইলстоন টেক উদ্ভাবন

  2. ১৯৯৮: টেকনোলজির একটি পিভটাল বছর – ৯০ দশকের মাইলстоন দশক থেকে হাইলাইটস

  3. ১৯৯৯: ১৯৯০-এর দশকের টেক বিপ্লaber চূড়ান্ত মাইলস্টোন

  4. IBM Watson: AI-চালিত ইনসাইট দিয়ে হেলথকെയারে বিপ্লব