পাবলিক-কী ক্রিপ্টোসিস্টেম (Public-Key Cryptosystem)
পাবলিক-কী ক্রিপ্টোসিস্টেম হলো এমন একটি সিস্টেম যেখানে মেসেজ একটি কী দিয়ে এনক্রিপ্ট করা হয় এবং শুধুমাত্র দ্বিতীয় কী দিয়ে ডিক্রিপ্ট করা যায় (এবং বিপরীতটিও সত্য)। একটি শক্তিশালী পাবলিক-কী সিস্টেম-এ অ্যালগরিদম ও একটি কী জানলেও অন্য কী বা ডিক্রিপশন পদ্ধতি সম্পর্কে কোনো উপযোগী তথ্য পাওয়া যায় না।
প্রধান বৈশিষ্ট্য
- পাবলিক কী ক্রিপ্টোগ্রাফিতে পাবলিক কী থেকে প্রাইভেট কী ক্যালকুলেট করা অসম্ভব। তাই পাবলিক কী পুরোপুরি পাবলিকলি এভেইলেবল রাখা যায়।
- ইউজার টার্গেট ইউজারের পাবলিক কী দিয়ে মেসেজ এনক্রিপ্ট করলে সেটি শুধু টার্গেট ইউজারের প্রাইভেট কী দিয়ে ডিক্রিপ্ট হয়।
- উল্টো: প্রাইভেট কী দিয়ে এনক্রিপ্ট করলে পাবলিক কী দিয়ে ডিক্রিপ্ট হয় — এটাকেই ডিজিটাল সিগ্নেচার বলা হয়।
- কীগুলো বড় (৫১২, ১০২৪, ২০৪৮+ বিট), মনে রাখা কঠিন → USB টোকেন বা HSM (Hardware Security Module)-এ সংরক্ষণ।
প্রধান সমস্যা ও সমাধান
- সমস্যা: আক্রমণকারী লেজিটিমেট ইউজাররূপে马斯ক্যারেড (masquerade) করতে পারে—পাবলিক ডিরেক্টরিতে কন্টারফিট কী সাবস্টিটিউট করে, কমিউনিকেশন ইন্টারসেপ্ট/অ্যাল্টার করতে পারে।
- সমাধান: পাবলিক কী ও সিগ্নেচার ভ্যালিডিটি নিশ্চিত করতে ডিজিটাল সার্টিফিকেট (X.509) এবং PKI (Public Key Infrastructure) ব্যবহার করা হয়।
সিকিউরিটি সার্ভিসিস
- অ্যাসিমেট্রিক ক্রিপ্টোসিস্টেম বাস্তবায়ন করতে হবে: কনফিডেনশিয়ালিটি, অথেন্টিকেশন, ইন্টিগ্রিটি, নন-রিপুডিয়েশন।
- পাবলিক কী সাপোর্ট করে: অথেন্টিকেশন, নন-রিপুডিয়েশন।
- প্রাইভেট কী দিয়ে এনক্রিপশন প্রসেস সাপোর্ট করে: কনফিডেনশিয়ালিটি, ইন্টিগ্রিটি।
প্রধান অ্যাপ্লিকেশন
- ডিজিটাল সিগ্নেচার: অনলাইন অ্যাপ্লিকেশনে খুব উপকারী, ইউজারের অথেন্টিকেশন ও অश्यুরেন্স। প্রাইভেট কী দিয়ে তৈরি, হ্যাশিং প্রয়োগ, পাবলিক কী দিয়ে ভেরিফাই। জালিয়াত করা অসম্ভব (ট্রাডিশনাল সিগ্নেচার عكسে)।
- ডেটা এনক্রিপশন: কনফিডেনশিয়ালিটি ও ইন্টিগ্রিটি নিশ্চিত করে।
সুবিধা
- ফর্জারি (Forgery) অসম্ভব — ডিজিটাল সিগ্নেচার ইউজার/ফাইলের ইউনিক আইডেন্টিটি নিশ্চিত করে।
- কী ডিস্ট্রিবিউশন: ISAKMP (Internet Security Association and Key Management Protocol) দিয়ে, ডিজিটাল সার্টিফিকেট দিয়ে সেন্ডার ভেরিফিকেশন।