প্রমাণীকরণের বিভিন্ন কৌশল
১. পাসওয়ার্ড-ভিত্তিক প্রমাণীকরণ (Password-based authentication)
সর্বসरल পদ্ধতি। নির্দিষ্ট ইউজারনেমের জন্য পাসওয়ার্ড প্রয়োজন। পাসওয়ার্ড ও ইউজারনেম সিস্টেমের ডেটাবেসের সাথে মিললে ব্যবহারকারী প্রমাণীকৃত হয়।
২. ভল্ট প্রমাণীকরণ (Vault authentication)
ভল্ট সিস্টেমে ব্যবহারকারী বা মেশিনের তথ্য অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক সিস্টেমের সাথে যাচাই করে প্রমাণীকরণ হয়। API বা CLI-এর মাধ্যমে প্রমাণীকরণ হয়।
৩. ইমেইল প্রমাণীকরণ (Email authentication)
ইমেইল প্রমাণীকরণের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। প্রচলিত স্ট্যান্ডার্ড: SPF, DKIM, DMARC। SMTP-র প্রমাণীকরণ মেকানিজম না থাকায় এই স্ট্যান্ডার্ডগুলো SMTP-এর পূরক।
৪. ডেটাবেস প্রমাণীকরণ (Database authentication)
সঠিক ব্যক্তি নির্দিষ্ট ডেটাবেস অ্যাক্সেস করছে কিনা নিশ্চিত করা। SSL প্রোটোকল বা থার্ড পার্টি সার্ভিস ব্যবহার করে প্রমাণীকরণ হয়।
৫. সিঙ্গেল সাইন-অন (Single Sign-on - SSO)
একটি ক্রেডেনশিয়াল দিয়ে একাধিক অ্যাপ্লিকেশনে অ্যাক্সেস। একবার সাইন-ইন করলে কেন্দ্রীয় ডিরেক্টরি থেকে অন্য সব ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে স্বয়ংক্রিয় সাইন-ইন হয়।
৬. সোশ্যাল প্রমাণীকরণ (Social Authentication)
অতিরিক্ত নিরাপত্তা দেয় না। প্রযোজ্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কের বিদ্যমান ক্রেডেনশিয়াল দিয়ে ব্যবহারকারী যাচাই করা হয়।
৭. পাসওয়ার্ডলেস প্রমাণীকরণ (Passwordless authentication)
পাসওয়ার্ড লাগে না। নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে OTP (वन-টাইম পাসওয়ার্ড) বা লিংক পাঠানো হয়। OTP-ভিত্তিক প্রমাণীকরণও বলা হয়।
৮. মাল্টি-ফ্যাক্টর প্রমাণীকরণ (Multi-factor authentication - MFA)
দুই বা ততোধিক ভিন্ন প্রমাণীকরণ প্রয়োজন (যেমন পাসওয়ার্ড + আই-স্ক্যান)। এক ফ্যাক্টর হ্যাক করা যেতে পারে, কিন্তু দুই বা ততোধিক হ্যাক করা চূড়ান্তভাবে কঠিন। টাইম-সেনসিটিভ OTP-র সাথে মিলিয়ে ব্যবহার হয়।
৯. ট্রানজ্যাকশন প্রমাণীকরণ (Transaction Authentication)
এককালীন শনাক্তকরণ নম্বর (OTP) ব্যবহার করে। ট্রানজ্যাকশন অথেনটিকেশন নম্বর (TAN) সিস্টেমে অতিরিক্ত নিরাপত্তা লেয়ার যোগ করে।
১০. পেমেন্ট প্রমাণীকরণ (Payment authentication)
অন্যের তথ্য দুরূপযোগ করে অনলাইন ট্রানজ্যাকশন রোধ। আইডেন্টিটি যাচাই একাধিকবার হয়। পদ্ধতিগুলো: 3D Secure, Card Verification Value (CVV), Address Verification।
১১. সার্ভার ও নেটওয়ার্ক প্রমাণীকরণ পদ্ধতি
নেটওয়ার্ক-লেভেল প্রমাণীকরণে বৈধ ও অবৈধ ব্যবহারকারী পৃথক করা হয়। পদ্ধতিগুলো: টু-ফ্যাক্টর, টোকেন, কম্পিউটার আইডেন্টিফিকেশন, সিঙ্গেল-সাইন-অন।