কম্পিউটার টিউটোরিয়াল

আইপিভি ৪ ও আইপিভি ৬ এর পার্থক্য (Difference between IPv4 and IPv6)


পরিচয়

IPv4 এবং IPv6 — ইন্টারনেট প্রোটোকল স্যুটের দুটি প্রধান প্রোটোকল যা নেটওয়ার্ক বাউন্ডারি পার করে ডেটাগ্রাম রিলে করতে ব্যবহৃত হয়। রাউটিং ফাংশন ইন্টারনেটওয়ার্কিং সক্ষম করে।

প্রধান পার্থক্যগুলো

ক্রমিক নংবিষয়IPv4IPv6
১ অ্যাড্রেস কনফিগারেশন ৩২-বিট, ডেসিমেল ফরম্যাট। ম্যানুয়াল ও DHCP কনফিগারেশন। ১২৮-বিট, হেক্সাডেসিমেল ফরম্যাট। অটো-কনফিগারেশন ও রিনাম্বারিং।
২ অ্যাড্রেস স্পেস ৪.২৯ × ১০⁹ অ্যাড্রেস। ৩.৪ × ১০³⁸ অ্যাড্রেস (অনেক বেশি)।
৩ সুরক্ষা কম সুরক্ষিত; অ্যাপ্লিকেশন লেয়ারের সুরক্ষার ওপর নির্ভরশীল। বিল্ট-ইন IPSEC (Internet Protocol Security) — অতিরিক্ত সুরক্ষা।
৪ ফ্র্যাগমেন্টেশন সেন্ডার এবং ফরওয়ার্ডিং রাউটার উভয়ই করে। শুধু সেন্ডার রাউটার করে।
৫ অথেন্টিকেশন এনক্রিপশন ও অথেন্টিকেশন সুবিধা নেই। এনক্রিপশন ও অথেন্টিকেশন দুটোই উপলব্ধ।
৬ হেডার সাইজ ২০-৬০ বাইট (ভেরিয়েবল)। ফিক্সড ৪০ বাইট।

সারসংক্ষেপ

IPv6 হলো IPv4-এর উন্নত সংস্করণ যা বড় অ্যাড্রেস স্পেস, বিল্ট-ইন সুরক্ষা, সহজ হেডার এবং উন্নত রাউটিং প্রদান করে। বর্তমানে Интерনেটে IPv6 এর transición চলমান।

  1. IPv4 বনাম IPv6: পার্থক্য কী? অ্যাড্রেস স্পেস, সিকিউরিটি এবং ভবিষ্যৎ

  2. Go এবং Java-এর পার্থক্য

  3. tkinter এবং Tkinter-এর পার্থক্য

  4. পাইথন এবং ব্যাশের পার্থক্য