বেতার সংযোগ আজকাল খুব আকর্ষণীয়—খাস করে এগুলো কীভাবে কাজ করে সেটা। হোম ওয়ায়ারলেস ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে, ইন্টারনেট ডেটা আনে একটি কেবল এবং সেই কেবল রাউটারের সাথে সংযুক্ত থাকে বেতার সিগন্যাল ট্রান্সমিট করার জন্য।
একই ইন্টারনেট নেটওয়ার্কে দুটি রাউটার সংযুক্ত করার উপায় আছে, যা তখন খুব কাজে আসে যখন আপনার পাশের বাসিন্দারা আপনার ইন্টারনেট ব্যবহার করতে চান। নিচে দেখাবো কিভাবে একই ইন্টারনেট লাইনে দুটি রাউটার কানেক্ট করতে হয়, কী কী লাগে, এবং দুটি রাউটার কনফিগার কিভাবে করতে হয়।
দুটি রাউটার পরস্পর সংযোগের জন্য কী কী লাগে?
দুটি রাউটার সংযোগের জন্য বেশি কিছু লাগে না—শুধু একটি একস্ট্রা ইথারনেট কেবল এবং LAN কেবল এক্সটেনশন (যদি ইন্টারনেট সংযোগ সমানভাবে বিতরণ করতে চান)। LAN কেবল এক্সটেনশন না থাকলে রাউটারের পিছনে থাকা কনেক্টরই ব্যবহার করা যায়।
এগুলো সেটাপ হলে পরবর্তী ধাপ হলো দুটি রাউটার বেতার ট্রান্সমিশনের জন্য কনফিগার করা। নিচে ধাপে ধাপে দেখানো হলো, কিন্তু আপনাকে নির্দেশনা গুলো অনুসরণ করতে হবে।
আগে জানা ভালো যে দুটি রাউটার থাকলে বিশেষ বেশি বিদ্যুৎ খরচ হবে। তবে দুটি রাউটার কানেক্ট করা ওরث ইট, কারণ এতে আপনি অন্যদের ইন্টারনেট ডেটা খরচ নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন। দুটি রাউটার ম্যানেজ করে আপনার জন্য আলাদা একটি সংযোগ থাকবে।
পুরনো রাউটারগুলোতে আজকের রাউটারের মতো মেনু থাকে না। আজকের রাউটারগুলো ইউজার ব্লক করা, ডেটা লিমিট সেট করা, কে Wi-Fi-এ কানেক্ট করবে সেটা ঠিক করা—এই সব সুবিধা দেয়। কিন্তু পুরনো রাউটারগুলোতে এগুলো থাকে না।
এই 이유로 দুটি রাউটারের ট্রিক ব্যবহার করতে হয়। বता দাঁড়, আপনার রাউটারের IP ঠিকানা জানার উপায়ও আছে যাতে Wi-Fi নাম বা পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা যায়।
ইথারনেট কেবল দিয়ে রাউটার দুটি সংযোগ করার সঠিক পদ্ধতি
দুটি রাউটার সংযোগ করা খুব সহজ, শুধু কনফিগারেশন পার্ট একটু জটিল। দুটি রাউটারের মধ্যে একটিকে খুব সঠিকভাবে কনফিগার করতে হয় যাতে সেটি স্থিতিশীলভাবে ও সঠিকভাবে কাজ করতে পারে।
পরের দুটি সাব-টপিকে দুটি রাউটারের কনফিগারেশন সম্পর্কে বিস্তারিত দেখানো হলো। বতা দাঁড়, রাউটারের সাহায্যে সিগন্যাল রেঞ্জ সেট করা যায়—কম রেঞ্জ বা সর্বোচ্চ রেঞ্জ।
প্রথম রাউটারের প্রক্রিয়া
প্রথম রাউটারের ক্ষেত্রে অনেক কিছু করতে হয় না—শুধু এর IP ঠিকানায় ঢুকে দেখতে হবে ইথারনেট কেবল কনেক্টরগুলো কাজ করছে কিনা। রাউটার কনফিগারেশন IP দিয়ে কিভাবে এক্সেস করতে হয়:
- নেটওয়ার্ক রেজিস্টার করা যেকোনো ডিভাইস চালু করুন
- ওয়েব ব্রাউজার খুলুন
- অ্যাড্রেস বারে লিখুন:
192.168.0.1 - প্রায় সব রাউটারের এই IP থাকে। ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে কনফিগারেশনে ঢুকুন
- Management সেকশনে যান এবং দেখুন LAN পোর্টগুলো ইনেবল্ড কিনা। না থাকলে ইনেবল করুন
এটাই হলো রাউটার নম্বর ১-এর কনফিগারেশন। এখানে ইন্টারনেট সংযোগের ইথারনেট কেবল 'LAN' পোর্টে সংযুক্ত করুন। রাউটার ২-এর জন্য বের হওয়া কেবল '১' নম্বর পোর্টে লাগান।
রাউটার ১ কনফিগার হলে রাউটার ২ কনফিগার করতে যান। সময় থাকলে রাউটার পোর্ট খোলার টিউটোরিয়ালও দেখে নিন।
দ্বিতীয় রাউটারের কনফিগারেশন প্রক্রিয়া
দ্বিতীয় রাউটারের কনফিগারেশন একটু জটিল। যা করতে হবে:
- রাউটার ১-এর পোর্ট ১-এ লাগানো ইথারনেট কেবল বের করে রাউটার ২-এর 'LAN' পোর্টে লাগান
- রাউটার ২-এর IP ঠিকানা দিয়ে কনফিগারেশনে ঢুকুন
- ফ্যাক্টরি ভ্যালুগুলো পরিবর্তন করুন—কানেকশন টাইপ, রাউটার সিকিউরিটি
- পাসওয়ার্ড এবং নাম দিন
- ফার্মওয়্যার আপডেট করুন
- চেঞ্জস সেভ করুন—হয়ে গেলো
যদি রাউটার TP-LINK হয় এবং সমস্যা হয়, TP-LINK টেক সাপোর্ট সাইটে যান। অন্য ব্র্যান্ড হলে সেই ব্র্যান্ডের টেকনিক্যাল সাপোর্ট ওয়েবসাইট ব্যবহার করুন।