আমার স্মার্টফোনে ২০০+ অ্যাপ ইনস্টলড আছে এবং কখনো কখনো চিন্তা হয় যখন অন্য কেউ আমার ফোন ব্যবহার করে এবং আমার অ্যাপ্লিকেশনগুলো খোলে। অধিকাংশ সময় এটি বাচ্চাদের সাথে ঘটে যাদের রোধ করা যায় না। আপনার অ্যাপে অননুমোদিত অ্যাক্সেস রোধ করতে আপনি সবসময় অ্যান্ড্রয়েডে অ্যাপ লক করতে পারেন অ্যাপ লক — ফিংগারপ্রিন্ট, প্যাটার্ন ও পাসওয়ার্ড সহ এর মতো একটি অ্যাপ লকার দিয়ে। একবার ইনস্টল করলে আপনি এই অ্যাপ দিয়ে আপনার অ্যাপগুলো চার অঙ্কের পিন, প্যাটার্ন বা ফিংগারপ্রিন্ট দিয়ে লক করতে পারবেন।
অ্যান্ড্রয়েডে অ্যাপ লক করার জন্য অ্যাপ লক — ফিংগারপ্রিন্ট, প্যাটার্ন ও পাসওয়ার্ড কেন বেছে নেবেন?

ডেভেলপার |
সিস্টویক সফটওয়্যার প্রাইভেট লিমিটেড |
| দেশ | ভারত |
| অ্যান্ড্রয়েড | ৪.১ ও بالاتر |
| ইনস্টল | ১০০০০+ |
| আকার | ২৫ MB |
| খরচ | ফ্রি |
| ভার্সন | ৪.০.৫.৩৯ |
অ্যাপ লক করার জন্য অনেক অ্যাপ আছে, কিন্তু সিস্টویক সফটওয়্যারের অ্যাপলক (AppLock) চমৎকার একটি অ্যাপ এবং এর অনেক এডভান্সড ফিচার এটিকে অন্যদের চেয়ে অধিক পছন্দনীয় করে তোলে।
সহজ ব্যবহার: সিস্টویক সফটওয়্যারের AppLock-এ সুবিধাজনক ইন্টারফেস আছে এবং কোনো প্রশিক্ষণ দরকার নেই।
বহু Phương thứcের সুরক্ষা: ব্যবহারকারী চার অঙ্কের কোড, প্যাটার্ন বা ফিংগারপ্রিন্ট যেকোনো একটা দিয়ে অ্যাপ আনলক করতে পারেন।
হালকা অ্যাপ: অ্যাপ লক — ফিংগারপ্রিন্ট, প্যাটার্ন ও পাসওয়ার্ড একটি হালকা অ্যাপ, অর্থাৎ এটি সিস্টেম রিসোর্স বেশি ব্যবহার করে না।
সহজ পিন রিকভারি: যদি আপনি চার অঙ্কের পিন ভুলে যান, শুধু রিকভারি অপশনে ট্যাপ করলে রেজিস্টার্ড ইমেইলে পিন চলে আসবে।
নোট- রিকভারি ইমেইল অ্যাড্রেস আগে থেকে যোগ করা থাকতে হবে। তাই অ্যাপ্লিকেশনে লক সেট করার সময় ইমেইল অ্যাড্রেস যোগ করা নিশ্চিত করুন।
অ্যাপ লক — ফিংগারপ্রিন্ট, প্যাটার্ন ও পাসওয়ার্ড প্রধানত অননুমোদিত ব্যবহারকারীদের থেকে অ্যাপ লক করে ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ রাখতে ব্যবহৃত হয়। সিস্টویক সফটওয়্যারের AppLock-এ সবচেয়ে সাধারণ লক করা অ্যাপগুলো হলো ফেইসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, এবং অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ। এর পাশাপাশি, সব ব্যাংকিং এবং আর্থিক অ্যাপ অবশ্যই অ্যাপ লকার অ্যাপ লক — ফিংগারপ্রিন্ট, প্যাটার্ন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে নিরাপদে লক করা উচিত।
অ্যাপ লক — ফিংগারপ্রিন্ট, প্যাটার্ন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যান্ড্রয়েডে অ্যাপ লক করার পদ্ধতি?
আমি আগে বলেছি, অ্যাপ লক — ফিংগারপ্রিন্ট, প্যাটার্ন ও পাসওয়ার্ড খুব সহজে ব্যবহার করা যায় এবং কেউও ব্যবহার করতে পারে। এখানে ধাপগুলো দেওয়া হলো:
ধাপ ১: গুগল প্লে স্টোর থেকে বা নিচের লিংকে ক্লিক করে AppLock by Systweak ডাউনলোড ও ইনস্টল করুন।
ডাউনলোড নাও: অ্যাপ লক — ফিংগারপ্রিন্ট, প্যাটার্ন ও পাসওয়ার্ড, আপনার অ্যাপগুলোকে অননুমোদিত অ্যাক্সেস থেকে সুরক্ষিত রাখার একমাত্র উপায়।
ধাপ ২: নতুন তৈরি শর্টকাটে ট্যাপ করে অ্যাপ চালু করুন।
ধাপ ৩: চার অঙ্কের পাসকোড বা একটি প্যাটার্ন দুবার দিয়ে কনফার্ম এবং সেট করুন।

ধাপ ৪: রিকভারি ইমেইলের অপশন দিয়ে একটি পপ-আপ মেসেজ আসবে। পাসকোড বা প্যাটার্ন ভুলে গেলে রিকভারির জন্য ইমেইল সেট করা সুপারিশ করা হয়। সেট করতে Set-এ ট্যাপ করুন এবং পাসকোড বা প্যাটার্ন রিসেটের জন্য ইমেইল অ্যাড্রেস দিন।

ধাপ ৫: এখন আপনার স্মার্টফোনে ইনস্টল করা সকল অ্যাপ্লিকেশনের তালিকা দেখাবে।

ধাপ ৬: যেকোনো অ্যাপ লক করতে লক আইকনে ট্যাপ করুন। আপনাকে অ্যাপ সেটিংস ম্যানুয়ালি অ্যালো করার জন্য পারমিশন চাইবে, Allow বাটনে ট্যাপ করুন। প্রথমে Usage access দিয়ে টগল সווিচ অন করুন।

দ্বিতীয় পারমিশন: অন্য অ্যাপের ওপর ড্র করার অনুমতি—Allow-এ ট্যাপ করুন এবং Display over other Apps-এর টগল বাটন অন করুন।

আপনি যেসব অ্যাপ লক করতে চান সবার জন্য এই ধাপ दुহরান এবং তারপর অ্যাপ থেকে বের হোন। হোম স্ক্রিন > লকড অ্যাপসে যেতে সব লক করা অ্যাপের তালিকা দেখতে পাবেন।

নোট: আপনি যদি ফিংগারপ্রিন্ট দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন আনলক করতে চান, নিশ্চিত করুন আপনার ডিভাইসে ফিংগারপ্রিন্ট লক সেট করা আছে। এটি বিকল্পভাবে আপনার ফোনের লক করা অ্যাপ্লিকেশন আনলক করতে ব্যবহার করা যায়।
ধাপ ৭: আপনি যে কোনো লক করা অ্যাপ খুলতে চান, তবে চার অঙ্কের কোড বা প্যাটার্ন বা ফিংগারপ্রিন্ট না দিয়ে খুলতে পারবেন না।

নোট: কোনো অ্যাপ আনলক করতে একই ধাপগুলো ফলো করুন, এবং অ্যাপের পাশের লক আইকনে আবার ক্লিক করুন। দ্বিতীয় ট্যাপে অ্যাপ আনলক হবে। স্ক্রিনের নিচে কয়েক সেকেন্ডের জন্য একটি নোটিফিকেশন আসবে।
অ্যান্ড্রয়েডে অ্যাপ লকার সফটওয়্যার দিয়ে অ্যাপ লক করার চূড়ান্ত মতামত?
অ্যান্ড্রয়েডে অ্যাপ লকার সফটওয়্যারমতো অ্যাপ লক — ফিংগারপ্রিন্ট, প্যাটার্ন ও পাসওয়ার্ড দিয়ে অ্যাপ লক করা সবচেয়ে সুপারিশ করা সমাধান। আপনার অ্যাপগুলো লক রাখলে আপনার শংসাপত্র এবং তথ্য নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকবে। কোনো অ্যাপ লক করতে পারবেন এমন কোনো সীমাবদ্ধতা নেই, এবং তালিকায় সব সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ, ব্যাংকিং, এবং ওয়ালেট অ্যাপ অন্তর্ভুক্ত। আমি ক্রোম ব্রাউজারও অ্যাপ লক — ফিংগারপ্রিন্ট, প্যাটার্ন ও পাসওয়ার্ড-এর অধীনে রেখেছি কারণ আমি চাই না কেউ জানুক আমি কী ব্রাউজ করলাম বা কী ট্যাব খোলা আছে। পছন্দ আপনার—কোন অ্যাপ আপনার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেটা আপনি সিদ্ধান্ত নিন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাদের ফলো করুন—ফেইসবুক এবং ইউটিউব। কোনো প্রশ্ন বা সুপারিশ হলে কমেন্টে জানান, আমরা সমাধান দিয়ে ফিরে আসব। আমরা টেকনোলজি সংক্রান্ত টিপস, ট্রিকস এবং সাধারণ সমস্যার সমাধান নিয়মিত পোস্ট করি। নিউজলেটার সাবস্ক্রাইব করুন টেক জগতের রেগুলার আপডেট পেতে।