সারসংক্ষেপ: কখন কী করবেন
| পক্ষ | লিংকিং (Linking) | এমবেডিং (Embedding) |
|---|---|---|
| উপযোগী | অন্যের তৈরি ভিডিও শেয়ার করার জন্য | নিজের তৈরি ভিডিও শেয়ার করার জন্য |
| সুবিধা | ওয়েব থেকে যেকোনো ভিডিও লিংক করা যায়, ফাইল ফরম্যাট বা CPU লোডের চিন্তা নেই | ভিডিও ফাইলটি প্রেজেন্টেশনের ভিতরেই থাকে, ইন্টারনেট ছাড়া চলে |
| অসুবিধা | প্রেজেন্টেশনের সময় ইন্টারনেট বা হোস্ট ড্রাইভ অ্যাক্সেস লাগে | ফাইল সাইজ বড় হয়, শেয়ার/আপলোড কষ্টকর, ফাইল ফরম্যাট কম্প্যাটিবিলিটি সমস্যা হতে পারে |
ভিডিও লিংক করার সুবিধা ও অসুবিধা
সুবিধা
- ইন্টারনেট থাকলে যেকোনো জায়গা থেকে ভিডিও দেখা যায়।
- প্রসেসিং পাওয়ার বা ফাইল ফরম্যাটের চিন্তা করতে হয় না।
- প্রেজেন্টেশন ফাইলের সাইজ ছোট থাকে।
অসুবিধা
- ইন্টারনেট কানেকশন অবশ্য থাকতে হবে (YouTube-এর মত অনলাইন ভিডিওর জন্য)।
- লোকাল ড্রাইভ/সার্ভার থেকে লিংক করলে সেই ড্রাইভ/সার্ভার অ্যাক্সেসিবল থাকতে হবে।
টিপ: অন্য কম্পিউটারে প্রেজেন্ট করলে প্রজেক্টের সব ফাইল (ভিডিও, সাউন্ড, লিংক করা ফাইল) একই ফোল্ডারে রাখুন। পুরো ফোল্ডার পেনড্রাইভে কপি করলে সমস্যা হয় না।
ভিডিও এমবেড করার সুবিধা ও অসুবিধা
সুবিধা
- ভিডিও ফাইলটি প্রেজেন্টেশনের অভিন্ন অংশ হয়ে যায় — ইন্টারনেট ছাড়া যেকোনো জায়গায় চলবে।
- একক ফাইল শেয়ার করলেই ভিডিও চলে যাবে।
অসুবিধা
- ফাইল সাইজ নাটকিয়ক বড় হয় (শেয়ার/ইমেইল/আপলোড করা কঠিন)।
- পুরানো বা অসাধারণ ভিডিও ফরম্যাট নতুন সিস্টেমে চলে নাও পারতে পারে।
সিদ্ধান্ত নেওয়ার নীতি
- লিংক করুন যদি: প্রেজেন্টেশনের সময় নিশ্চিত ইন্টারনেট থাকে, অথবা স্টোরেজ/ব্যান্ডউইথ কম থাকে।
- এমবেড করুন যদি: ইন্টারনেট নেই, বা ফাইল যেকোনো কম্পিউটারে স্বাধীনভাবে চলতে হবে।