গুগল ক্যালেন্ডার ২০০৬ সাল থেকে একটি চমৎকার ফ্রি অনলাইন ক্যালেন্ডার যা সবার জীবন সুনির্দিষ্ট রাখে। আপনি ব্যবসায়ী হোন বা ব্যক্তিগত ব্যবহারকারী, এই ফ্রি সার্ভিস আপনার ইভেন্ট ও রিমাইন্ডার ট্র্যাক করার পাশাপাশি অন্যদের ইভেন্টে আমন্ত্রণ জানাতে সাহায্য করে।
মাউসের যুগ 갔। কীবোর্ড শর্টকাট আপনার পণ্যতা বাড়ানোর সবচেয়ে সহজ ও দ্রুত উপায়। নিচে কিছু দরকারী শর্টকাট দেওয়া হলো:
- K বা P: আগের তারিখের রেঞ্জে স্ক্রোল করুন।
- J বা N: পরবর্তী তারিখের রেঞ্জে স্ক্রোল করুন।
- T: আজকের ভিউ দেখুন।
- 1 বা D: দিন ভিউ।
- 2 বা W: সপ্তাহ ভিউ।
- 3 বা M: মাস ভিউ।
- 4 বা X: কাস্টম ভিউ (ডিফল্ট ৪ সপ্তাহ)।
- 5 বা A: অ্যাজেন্ডা ভিউ।
- C: নতুন ইভেন্ট তৈরি করুন।
- Ctrl + Z: গত অ্যাকশন আনডু করুন।
- Backspace বা Delete: ইভেন্ট ডিলিট করুন।
ইভেন্টে লোকেশন যোগ করলে দিকনির্দেশনা দিতে হয় না—সহকর্মী বা বন্ধুরা গুগল ম্যাপসে সরাসরি লোকেশন দেখে সময়মতো পৌঁছাতে পারেন। লোকেশন যোগ করতে নতুন ইভেন্ট তৈরি করার সময় 'Where' ফিল্ডে ঠিকানা টাইপ করুন।
ইন্টারনেট ন रहने परও গুগল ক্যালেন্ডার ব্যবহার করতে পারেন। ক্রোম ব্রাউজারের সেটিংস কগ (উপরের ডান কোণে) → Offline এ ক্লিক করুন। মনে রাখবেন, এটি শুধু ডিফল্ট ক্যালেন্ডার সিঙ্ক করে।
কাজ, বাড়ির কাজ, সাইড প্রজেক্ট—সব একসাথে রাখলে বিভ্রান্তি হয়। প্রতিটি ক্যাটাগরির জন্য আলাদা ক্যালেন্ডার ও রঙ কোড ব্যবহার করুন। এতে আপনি সহজে বুঝতে পারবেন কোন ক্যাটাগরিতে কত সময় যাচ্ছে।
অव्यবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ কাজ মিস হলে অ্যাজেন্ডা মোডে স্যুইচ করুন। এটি আজকের টাস্কের একটি পরিষ্কার তালিকা দেখায়।
অনেক ক্যালেন্ডার তৈরি করলে ইন্টারফেস গচগচি হয়। যেসব ক্যালেন্ডার দিনে দিনে দরকার নয়, সেগুলো লুকিয়ে রাখুন। বাম প্যানেল থেকে ক্যালেন্ডারের পাশে চেকবক্স আনচেক করুন।
এই টিপসগুলো অনুসরণ করে গুগল ক্যালেন্ডার থেকে সর্বোচ্চ লাভ নিন। মন্তব্যে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন।