কম্পিউটার কেনার সময় র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমরি বা RAM সদা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। কম্পিউটারের পারফরম্যান্সের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত থাকায় সবাই চান তাদের কম্পিউটারের पास সর্বশেষ প্রযুক্তির RAM থাকে। তবে যারা টেক-সেভি নন, তারা RAM-এ গুরুত্ব না দিয়েই কম্পিউটার কিনে ফেলেন।
RAM কম্পিউটার সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা ডেটা অস্থায়ীভাবে ধরে রাখে পরবর্তী প্রসেসিং-এর জন্য। দ্রুত প্রসেসিং টাইমের কারণে অন্যান্য স্টোরেজ হার্ডওয়্যারের চেয়ে RAM-কে সুবিধা प्राप्त।
তবে, truyềnগত RAM টাইপগুলো ধীর ছিল, তাই আরও উন্নতির প্রয়োজন ছিল। তभी স্ট্যান্ডার্ড SDRAM (Synchronous Dynamic Random Access Memory)-এর উপর Double Data Rate (DDR) RAM পরিচয় করানো হয়। DDR RAM একটি ক্লক সাইকেলে ডেটার দুটি চанক ট্রান্সফার করে SDRAM-এর ডেটা ট্রান্সফার রেট দ্বিগুণ করে দেয়।

ছবির রেফারেন্স: hardwaresecrets.com
সময়ের সাথে এই DDR RAM-গুলো আরও উন্নত হয়ে DDR2, DDR3 এবং DDR4-এ রূপ নেয়।
আজ আমরা সাম্প্রতিক RAM টাইপ দুটি: DDR3 এবং DDR4-এর মৌলিক পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করব। চলুন শুরু করা যাক:
DDR3 ও DDR4 RAM-এর হার্ডওয়্যার পার্থক্য
DDR3 RAM দীর্ঘদিন থেকে তার পারফরম্যান্স এবং পাওয়ার কনসাম্পশনের জন্য জনপ্রিয়। তবে প্রযুক্তি রিফাইনমেন্টের সাথে DDR4 RAM আরও উন্নত ফিচার নিয়ে আসে। fizikভাবে DDR3 RAM-এ ২৪০টি পিন থাকে, অন্যদিকে DDR4 RAM ২৮৮টি পিন নিয়ে আসে যা ব্যান্ডউইডথ ক্যাপাসিটি বাড়াতে সাহায্য করে। দুটি RAM-এর সাইজ একই হলেও পিন কাউন্টের পার্থক্যের কারণে DDR4-এ পিন সাইজ ০.৮৫ মিমি होয়ে গিয়েছে, যা DDR3-এ ১.০ মিমি ছিল। এছাড়া DDR4 RAM-এর উচ্চতা DDR3-এর চেয়ে বেশি।
পাওয়ার কনসাম্পশনে পার্থক্য
RAM কেনার আগে পাওয়ার কনসাম্পশন একটি গুরুত্বপূর্ণ পূর্বশর্ত। কম পাওয়ার খাওয়া RAM সর্বদা বেশি পাওয়ার খাওয়া RAM-এর চেয়ে পছন্দনীয়। DDR3 এবং DDR4 তুলনা করলে, DDR4 কম পাওয়ার খায়। উদাহরণস্বরূপ, DDR3 যদি ১.৫ ভোল্ট খায়, DDR4 একই কাজের জন্য ১.২ ভোল্ট নেবে। যদিও এটা ছোট পার্থক্য দেখায়, কিন্তু সার্ভারের অধীনে বড় সংখ্যক ডেস্কটপে ইনস্টল করলে ভালো টাকা বাঁচাবে।
পারফরম্যান্সে পার্থক্য
RAM-এর পারফরম্যান্স নির্ভর করে এর রিড/রাইট ফাংশনের গতির ওপর, যাকে ক্লক স্পিডও বলা হয়। DDR4 RAM-এর ক্লক স্পিড DDR3 RAM-এর চেয়ে অনেক বেশি। বর্তমান তথ্য অনুযায়ী DDR3 RAM-এর ক্লক স্পিড ১৩৩৩MHz থেকে ২১৩৩MHz-এর মধ্যে থাকে। অন্যদিকে, DDR4 RAM-এর ন্যূনতম মান ২১৩৩MHz এবং আজ পর্যন্ত কোনো সর্বোচ্চ মান সংজ্ঞায়িত হয়নি। পারফরম্যান্স লেভেলের এই পার্থক্য নতুন কম্পিউটার কেনার পরিকল্পনা করতে वालাদের জন্য DDR4 RAM কে প্রথম পছন্দ করে তুলেছে।
কম্প্যাটিবিলিটি ফ্যাক্টর
কম্প্যাটিবিলিটির কথা বললে, RAM পোর্টগুলো এর পূর্ববর্তি বা পরবর্তী RAM সাপোর্ট করে না। তাই DDR4 RAM DDR3 RAM-এর পোর্টে কাজ করবে না এবং উল্টোভাবে। মাদারবোর্ড ম্যানুফ্যাকচারারদের একমাত্র দায়িত্ব তাদের সিস্টেমে সাপোর্টেড RAM টাইপের তথ্য উল্লেখ করা। তাই আপনি যদি বর্তমান মাদারবোর্ডে RAM আপগ্রেড করে নতুন ভার্সনে ले যাওয়ার পরিকল্পনা করেন, তবে এটা সম্ভব নয়।
DDR3-এর চেয়ে DDR4-এর সুবিধাগুলো বিবেচনা করলে, নতুন কম্পিউটার কেনার সময় অবশ্যই DDR4 নির্বাচন করা উচিত। তবে কম্প্যাটিবিলিটি ইস্যু এবং খরচ ফ্যাক্টর বিবেচনা করে পুরোনো সিস্টেমে DDR3 থেকে DDR4-এ RAM আপগ্রেড করার পরামর্শ দেওয়া হয় না।