কম্পিউটার টিউটোরিয়াল

ডাটাবেস ব্যাকআপ ও রিকভারি: পদ্ধতি ও কারণ

ডাটাবেস করাপ্ট বা হারিয়ে যাওয়ার পরিস্থিতিতে রিকভারির জন্য ব্যাকআপ অপরিহার্য। ব্যাকআপ মানে ডাটাবেসের ডুপ্লিকেট কপি ব্যাকআপ সার্ভারে সংরক্ষণ করা। ট্রানজ্যাকশন লগও সংরক্ষণ করতে হয়, নয়তো ডেটা বেজবাবহার হয়।

ফেইলারের কারণ

  • User Error: সবচেয়ে বড় কারণ। ডাটাবেসকে এরর করার আগের পয়েন্টে রিস্টোর করতে হয়।
  • Hardware Failure: হার্ড ড্রাইভ ম্যালফাংশন হতে পারে। পিরিয়ডিক্যালি পরিবর্তন করা উচিত।
  • Catastrophic Event: বন্যা, ভূমিকম্প বা হ্যাকিং। ডেটা করাপ্ট হতে পারে।

ব্যাকআপ পদ্ধতি

  • Full Backup: পুরো ডাটাবেস (ডেটা + ট্রানজ্যাকশন লগ) কপি। সময় বেশি লাগে।
  • Transaction Log Backup: শুধু ট্রানজ্যাকশন লগ। পুরনো লগ ডিলিট হয়ে ফাইল ছোট রাখা হয়।
  • Differential Backup: লাস্ট ফুল ব্যাকআপের পর পরিবর্তিত ডেটা + লগ সংরক্ষণ। ফাইল ছোট হয়।

ডাটাবেস রিকভারি

  • Log-based Recovery: সব ট্রানজ্যাকশনের লগ সিকিউর এরিয়ায় রাখা হয়। ট্রানজ্যাকশন এক্সিকিউট করার আগে লগ সংরক্ষণ করতে হয়।
  • Shadow Paging: ট্রানজ্যাকশন কমপ্লিট হলে ডেটা অটোমেটিক সেফ রাখা হয়। সিস্টেম ক্র্যাশ হলে আধা-অधূরা পরিবর্তন ডাটাবেসে প্রতিফলিত হয় না।
  1. Apache Cassandra ব্যাকআপ ও রিকভারি মাস্টারিং: সম্পূর্ণ DBA গাইড

  2. AWS SQL নেটিভ ডেটাবেস নিরাপদে ব্যাকআপ, রিস্টোর, এবং মনিটর করুন

  3. Vertica ডেটাবেস নিরাপদে ব্যাকআপ ও রিস্টোর করার পদ্ধতি

  4. ডেটাবেস-অ্যাজ-এ-সার্ভিস (DBaaS): সুবিধা ও অসুবিধা তুলনা