বেড়ে যাওয়া সাইবার আক্রমণ আমাদের সতর্ক করে এবং সাইবার সিকিউরিটি আজ অপরিহার্য। সাইবার সিকিউরিটি মানে নেটওয়ার্ক সুরক্ষার সকল প্রক্রিয়া/অনুশীলন—প্রযুক্তি, সফটওয়্যার, অ্যাপ, পাসওয়ার্ড প্রটেকশন, তথ্য লুকানো, ব্যাকআপ ইত্যাদি যা সিস্টেমকে ক্ষতি বা অনধিকার অ্যাক্সেস থেকে বাঁচায়।
সাইবার সিকিউরিটির অজানা ১০টি তথ্য
- সোশ্যাল মিডিয়া হ্যাকারদের প্রিয় হাব: ১.৬ বিলিয়ন+ ব্যবহারকারী। লাইক-জ্যাকিং, লিংক-জ্যাকিং, ফিশিং, সোশ্যাল স্প্যামের মাধ্যমে আক্রমণ। দিনে ৬ লাখ+ ফেসবুক অ্যাকাউন্ট কম্প্রোমাইজ, ১০ জনে ১ জন অ্যাকাউন্ট অ্যাক্সেস হারায়।
- সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং—নতুন আক্রমণ পদ্ধতি: মনস্তাত্ত্বিক ম্যানিপুলেশন দিয়ে গোপন তথ্য বের করা। ফিশিং, প্রিটেক্সটিং এর উদাহরণ।
- সরকার আপনাকে বেশি ভালনারেবল বানাচ্ছে: গত ৫ বছরে সরকাররা 역대 অধিক ম্যালওয়্যার তৈরি করছে, যা হ্যাকারদেরও সুযোগ দিচ্ছে।
- ৯৯% কম্পিউটার এক্সপ্লয়েট কিটের আশ্রয়ে: Adobe Reader, Flash, Oracle Java—এই সফটওয়্যারগুলোর ক্রিটিক্যাল ভালনারেবিলিটি রয়েছে। ম্যালিশাস অ্যাডে এক ক্লিক করলেই সিস্টেম হাইজ্যাক। রেগুলার আপডেট রাখুন।
- রিয়েল-টাইম সাইবার আক্রমণ ট্র্যাক করার ম্যাপ: Norse-এর ম্যাপে বিশ্বজুড়ের সাইবার আক্রমণ লাইভ দেখা যায়।
- হ্যাক্টিভিজম সাইবার আক্রমণের চালক শক্তি: বিশ্বের ৫০% সাইবার আক্রমণের পেছনে হ্যাক্টিভিজম। রাজনৈতিক অজেন্ডা প্রচারের জন্য, কিন্তু ভুল হাতে পড়লে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
- অন Bengals সাইবার আক্রমণে বেশি টাকা হারাচ্ছে: গড় ১৭০ দিন লাগে আক্রমণ শনাক্ত করতে। Ponemon Institute অনুযায়ী US সংস্থাগুলোর বার্ষিক গড় সাইবার ক্রাইম খরচ $১২.৭ মিলিয়ান—৫ বছরে ৯৬% বৃদ্ধি।
- সবচেয়ে বড় হুমকি র্যানসমওয়্যার: ২০১৬ সালে ৫০০% বৃদ্ধি পেল র্যানসমওয়্যার আক্রমণ। সিকিউরিটি গবেষকরা ২০১৬ কে 'Year of Ransomware' ঘোষণা করেছিলেন।
- সাইবার সিকিউরিটি খরচ ২০১৭-২০২১-এ $১ ট্রিলিয়ন অতিক্রম করবে: বর্তমানে $৮০ বিলিয়ন+ খরচ হচ্ছে। IoT অন্তর্ভুক্ত করলে আরও বেশি।
- সংগঠনিক হুমকি (Insider Threats): ৫৯% কর্মী ব্যক্তিগত স্বার্থে কর্পোরেট ডেটা চুরি করে। এক্সপ্লয়েটেড ইনসাইডার (বাহিরের ফাঁদে ফসে ডেটা দেয়) এবং কেয়ারলেস ইনসাইডার (ভুলবশত ডেটা ডিলিট/মডিফাই করে)।
এই তথ্যগুলো সাইবার অপরাধ ও সুরক্ষা বোঝার স্পষ্ট ধারণা দেয়। বেড়ে যাওয়া হুমকির মুখোমুখি হলে আমাদের সবারই বেশি সুরক্ষা দরকার!