নেটওয়ার্ক সিকিউরিটিতে দুর্বলতা বা যৌগিকতা: কারণ, উদাহরণ ও প্রতিকার
সিকিউরিটি সিস্টেমে দুর্বলতা কী?
একটি সিস্টেমের সুরক্ষা প্রাচীর ভেদন করে অননুমোদিত অ্যাক্সেস লাভ করা বা সিস্টেমের আচরণ বাধা দেওয়াকে আক্রমণ বা ভুলনারেবিলিটি বলা হয়। সিকিউরিটি রিস্ক এবং ভুলনারেবিলিটি (Vulnerability) এক নন। রিস্ক হলে সম্ভাব্য ক্ষতি, আর ভুলনারেবিলিটি হলে সিস্টেমে বিদ্যমান ত্রুটি বা شکটা যা আক্রমণকারী অপনয়ন করতে পারে।
নেটওয়ার্ক দুর্বলতার উদাহরণ
- অনিরাপদ ওয়াইফাই এক্সেস পয়েন্ট: পাসওয়ার্ড ছাড়া বা দুর্বল এনক্রিপশন (WEP) ব্যবহার করা ওপেন নেটওয়ার্ক।
- ভুল কনফিগার করা ফায়ারওয়াল: অপ্রয়োজনীয় পোর্ট খোলা থাকা, ডিফল্ট পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা।
- পুরনো বা প্যাচ না করা ফার্মওয়্যার/সফটওয়্যার: জানা এক্সপ্লয়োফডশান থাকা ডিভাইস।
- দুর্বল প্রমাণীকরণ: MFA না থাকা, ডিফল্ট ক্রেডেনশিয়াল ব্যবহার করা।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি সমস্যার ৫টি প্রধান কারণ
- অজানা এসেট/ডিভাইস: নেটওয়ার্কে কী কী ডিভাইস সংযুক্ত আছে সেটি না জানা।
- ব্যবহারকারীর অতি অধিকার: স্ট্যান্ডার্ড ইউজারের অ্যাডমিন এক্সেস থাকা।
- অনপ্যাচড ভুলনারেবিলিটি: সিকিউরিটি আপডেট সময়মতো না দেওয়া।
- ডিফেন্স ইন ডেপথ (Defense in Depth) না থাকা: একক সুরক্ষা স্তর 있으나 লেয়ারড সুরক্ষা নেই।
- অपर্যাপ্ত আইটি সিকিউরিটি ব্যবস্থাপনা: পলিসি, মনিটরিং, ইনসিডেন্ট রেসপন্স প্ল্যানের অভাব।
প্রতিকারের উপায়
নियमিত ভুলনারেবিলিটি স্ক্যানিং, প্যাচ ম্যানেজমেন্ট, নেটওয়ার্ক সেগমেন্টেশন, স্ট্রং প্রমাণীকরণ (MFA), সিকিউরিটি অডিট এবং কর্মচারীদের সিকিউরিটি অবগততা প্রশিক্ষণ দিয়ে এই দুর্বলতাগুলি দূর করা সম্ভব।