দফতর থেকে ঘরে ফেরার পথে ঘন্টা পর ঘন্টা কম্পিউটার স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার পরও আপনি আপনার প্রিয় ই-বুক পড়তে চান, কিন্তু চোখে তaped নয়। তখন কী করবেন?
অ্যান্ড্রয়েড ইউজারদের জন্য বিভিন্ন টেক্সট-টু-স্পিচ (TTS) অ্যাপ রয়েছে। নিচের অ্যাপগুলো 덕분에 আপনি বসে রিল্যাক্স করে শুনতে পারবেন, নিজে পড়তে হয় না।
1. Voice Aloud Reader
Voice Aloud Reader টেক্সট-টু-স্পিচ অ্যাপ হিসেবে ভালো অপশন। প্রথম ইনস্টল করলে এটি আপনাকে গাইড করে কীভাবে ব্যবহার করবেন, অন্য অ্যাপগুলোর মতো নিজে ফিগার আউট করতে হয় না।
টেক্সট অ্যাপে যোগ করার বিভিন্ন পথ রয়েছে। উপরে ফোল্ডার আইকনে ট্যাপ করলে বুক, PDF, DOC, HTML, TXT সোর্স থেকে পড়তে পারে। সাইটের URL কপি করে অ্যাপের সার্চ বারে পেস্ট করলেও হয়।
আপনি যেখানে পড়ছেন সেখানে শেয়ার বাটন থাকলে সেটা শেয়ার করুন। শেয়ার অপশনে "Voice Aloud Reader" বেছে নিলে টেক্সট TXT ট্যাবে পেস্ট হবে।
2. Talk Free
আরও সিম্পল অ্যাপ চাইলে Talk Free আপনার পছন্দ হতে পারে। অন্য অ্যাপের মতো ফিচার সমृদ্ধ নয়, কিন্তু কাজটা করে দেয়। Talk Free থার্ড-পার্টি অ্যাপ থেকে টেক্সট পড়তে পারে, ব্রাউজারের ওয়েব পেজ থেকে টেক্সট ইম্পোর্টও করা যায়।
উপরে ভিন্ন সাইজের 'A' গুলোতে ট্যাপ করলে টেক্সট সাইজ অ্যাডজাস্ট হবে। আপনি যা বলতে চান সেটা টাইপ করার অপশনও রয়েছে। Talk Free যোগ করা টেক্সট সেভ করে রাখে, অ্যাপ খোলার সাথে সাথে দেখাবে।
অ্যাপ কাজ করার জন্য ফোনে প্রি-এক্সিস্টিং টেক্সট-টু-স্পিচ ইঞ্জিন থাকতে হবে। গুগল এর Text-to-Speech অ্যাপ ইতিমধ্যে থাকতে পারে, নাইলে প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করুন।
3. Pocket
Pocket আর্টিকেল সেভ করে পরে পড়ার জন্য দুর্দান্ত অ্যাপ। আর্টিকেল রাখার পাশাপাশি Pocket সেগুলো আউডIBLEও পড়ে দেয়। আর্টিকেল Pocket-এ শেয়ার করুন, অ্যাপে আসলে ট্যাপ করে খুলুন।
উপরে হেডফোন আইকনে ট্যাপ করলে Pocket আর্টিকেল পড়তে শুরু করবে। অডিও প্লে হয়ে থাকা অবস্থায় ফোনে ব্যাক বাটন ট্যাপ করলে টেক্সট দেখাবে কিন্তু অডিও বাজতে থাকবে। এই ফিচার ফ্রি।
4. Narrator's Voice
পূর্বের অ্যাপের মতো শেয়ার অপশনে দেখাবে না, কিন্তু পেস্ট করা টেক্সট পড়তে পারে। এটি অন্যদের থেকে আলাদা কারণ টেক্সট পড়ার সময় ভয়েস ইফেক্ট যোগ করা যায়।
রিভার্ব, ফ্ল্যাঙ্গার, কোরাস, স্পিড (ভয়েস স্লো/ফাস্ট), ইকো, কমপ্রেসর, গার্গল ইত্যাদি সাউন্ড ইফেক্ট বেছে নেওয়া যায়। বিভিন্ন ভাষায় পড়তে পারে। শেয়ার বাটনে ট্যাপ করলে অডিও শেয়ার, ভিডিওতে কনভার্ট, টাইমলাইনে পাঠানো বা ডিভাইসে সেভ করা যায়।
5. T2S: Text to Voice – Read Aloud
T2S-এর ইউনিক ফিচার: এর নিজস্ব ব্রাউজার রয়েছে। হ্যামবার্গার আইকন → Browser সিলেক্ট করুন। URL কপি করলে তা দেখাবে। ট্যাপ করলে সাইট অটোমেটিক খুলবে।
সাইট কন্টেন্ট শেয়ার করলে দুটি অপশন: ওয়েবসাইট খোলা বা বর্তমান ব্রাউজারের কন্টেন্ট পড়া (T2S খুলতে হয় না)।
আরেকটি দারুণ ফিচার: ব্রাউজার ছাড়া কোনো টেক্সট কপি করলে সেটা পড়বে। Copy-to-speak ফিচার অন করতে হ্যামবার্গার → Copy-to-speak।
টগল অন করুন, চাইলে রানিং রেখে রাখার অপশনও অন করুন। ফিচার সঠিক কাজ না করলে নোটিফিকেশন দেখাবে।
উপসংহার
নিজে পড়ার চেয়ে শুনে পড়া অনেক সহজ। উপরের অ্যাপগুলো 덕분에 আপনি সবসময় পড়ার সাহায্য পাবেন বা বসে শুনতে পারবেন। আপনি প্রথমে কোন অ্যাপ ট্রাই করবেন? কমেন্টে জানান।