এটি প্রায়শই বিতর্কের বিষয় যে অ্যান্ড্রয়েড ফোন অনেক কিছু করতে পারে যা আইফোন করতে পারে না। কিন্তু আইফোন এখনও লাখ লাখ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর প্রিয়, এবং আইফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দিন দিন বেড়েই যাচ্ছে। তাহলে নিঃসন্দেহে আইফোনে কিছু আছে যা অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা জানেন না।
চলুন খুঁজে বের করি কী জিনিস ব্যবহারকারীদের আইফোনের দিকে আকৃষ্ট করে, কিছু অদ্ভুত জিনিস যা আইফোন করতে পারে কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড ফোন করতে পারে না।
- ভাইব্রেট স্যুইচ:
আইফোনে রিংয়ার এবং ভাইব্রেটের মাঝে সুইচ করার জন্য একটি ডেডিকেটেড বাটন আছে, যা সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যারের গভীর ইন্টিগ্রেশনের একটি উদাহরণ। প্রথম আইফোন থেকে এই বাটনটি আছে। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে এই সুইচ খুব কমই পাওয়া যায়। এই স্যুইচটি তাৎক্ষণিক আপনার আইফোনকে সাইলেন্ট এবং রিংয়ার মোডে নিয়ে আসে।
- iMessages:
অন্য একটি জিনিস যা অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা মিস করেন সেটা হল iMessages, যা মেসেজিং-এর পরবর্তী লেভেল। iMessages আটোমেটিক্যালি iMessage-এ ইউজারদের আইডেন্টিফাই করে এবং একই মেসেজ অ্যাপ থেকে আপনি তাদের ইন্টারনেটের মাধ্যমে মেসেজ পাঠাতে পারেন। শুধু এটাই নয়, আপনি বড়দিন, নববর্ষ এবং অন্যান্য উপলক্ষ্যে স্পেশাল ইফেক্টসহ মেসেজ পাঠাতে পারেন এবং অন্যান্য ব্যবহারকারীদের হ্যাপটিক ফিডব্যাকও পাঠাতে পারেন। আপনি নেটিভ মেসেজিং অ্যাপ দিয়ে টাকা ট্রান্সফারও করতে পারেন।
- নতুন ইমেজ ফরম্যাট অনেক স্পেস বাঁচায়:
অবশ্যই অধিকাংশ অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে মেমরি কার্ড যোগ করার অপশন থাকে বা আপনি মেমরি বুস্টার অ্যাপ ইনস্টল করতে পারেন, কিন্তু iOS 11 থেকে অ্যাপল আপনার ডিভাইসে অনেক মেমরি বাঁচাতে একটি স্মার্ট উপায় আনার। নতুন ইমেজ এবং ভিডিও ফরম্যাট (HEIF এবং HEVF) সাধারণ ছবির তুলনায় খুব কম স্পেস নেয়। এই ফরম্যাটগুলো টেকনোলজির সম্পূর্ণ খেলা যা ব্যবহারকারীদের ছবি এবং ভিডিও ছোট ফরম্যাটে সংরক্ষণ করতে দেয় কিন্তু আপনি যখন অন্য ডিভাইসে ট্রান্সফার করবেন, সেগুলো আটোমেটিক্যালি JPG বা JPEG ফরম্যাটে কনভার্ট হয়ে যাবে।
আরও পড়ুন: আইফোনের জন্য সেরা পোর্ট্রেট মোড অ্যাপস
- একাধিক স্পিকারে একাধিক সাউন্ড:
AirPlay 2 ফিচার iOS 11-এর লেটেস্ট ভার্সনে বেটা ভার্সনে লঞ্চ করা হয়েছিল। এই ফিচার লাইভ হলে, আপনি AirPlay-এ কানেক্টেড বিভিন্ন ডিভাইসে আলাদা আলাদা গান প্লে করতে পারবেন। এই ফিচার নেটিভলি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে উপলব্ধ নয়। ভিন্ন AirPlay ডিভাইসে ভিন্ন গান প্লে করার মানে আপনি একই সময়ে লিভিং রুমে একটা গান এবং বেডরুমে আরেকটা গান প্লে করতে পারবেন একই আইফোন দিয়ে।
- ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ কন্টেন্ট:
আমরা যে আরেকটি ফিচারের কথা বলব, সেটা ট্যাবলেট বা আইপ্যাডের সাথে জড়িত। অ্যাপল আইপ্যাডে এখন ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ সাপোর্ট পাবেন। মাল্টিটাস্কিং দিয়ে আপনি একই সময়ে একাধিক অ্যাপ খুলতে পারবেন আইপ্যাডে এবং তারপর ছবি, টেক্সট এবং URL ড্র্যাগ এন্ড ড্রপ করতে পারবেন। যা নেটিভলি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে করা যায় না।
তাহলে, এগুলো ছিল কিছু ফিচার যা আইফোনকে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে রেখেছে। এপর্যন্ত আপনি বুঝতে পেরেছেন যে কিছু জিনিস আছে যা iOS ডিভাইস করতে পারে কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস করতে পারে না।