DES-এর দুর্বলতা (Weaknesses of Data Encryption Standard)
১. সাইফার ডিজাইনে দুর্বলতা (Weaknesses in Cipher Design)
S-বক্সে দুর্বলতা (S-boxes Weaknesses)
- S-বক্স ৪-এ: লাস্ট তিনটি আউটপুট বিট প্রথম আউটপুট বিটের মতোই কিছু ইনপুট বিত কম্বাইন করে পরিবর্তন করা যায়।
- দুই নির্দিষ্ট ইনপুট: একটি S-বক্স অ্যারেতে একই আউটপুট দিতে পারে।
- শুধু তিনটি সন্নিহিত S-বক্সের বিট পরিবর্তন করে: একই রাউন্ডে একই আউটপুট পাওয়া যায়।
D-বক্সে দুর্বলতা (D-boxes)
- রহস্য: ইনিশিয়াল ও ফাইনাল পারমিউটেশনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট নয়।
- দুর্বলতা: এক্সপানশন পারমিউটেশনে (ফাংশনের ভেতরে) প্রতি ৪-বিট সিকোয়েন্সের প্রথম ও চতুর্থ বিট দুবার করা হয়।
২. সাইফার কী-এ দুর্বলতা (Weakness in the Cipher Key)
কী সাইজ (Key Size) — সবচেয়ে গুরুতর দুর্বলতা
- ক্রিটিকরা মনে করেন DES-এর সবচেয়ে বড় দুর্বলতা এর কী সাইজ: ৫৬ বিট।
- ব্রুট-ফোর্স আক্রমণে 2⁵⁶ কী টেস্ট করতে হয়।
- ১ মিলিয়ন কী/সেকেন্ড চেক করলে এক প্রসেসর দিয়ে ১০০+ বছর লাগবে।
- ১ মিলিয়ন চিপস পার্যালেল প্রসেসিং দিয়ে ~২০ ঘণ্টায় পুরো কী স্পেস চেক করা যায়।
- ১৯৭৭-এ এদের দাম মিলিয়ন ডলার+, কিন্তু দাম দ্রুত কমেছে। ১৯৯৮-এ একটি স্পেশাল কম্পিউটার ১১২ ঘণ্টায় কী বের করেছিল।
- কম্পিউটার নেটওয়ার্ক পার্যালেল প্রসেসিং সিমুলেট করতে পারে। ১৯৭৭-এ ৩৫০০ কম্পিউটার ১২০ দিনে RSA চ্যালেঞ্জের কী বের করেছিল।
- ৪২,০০০ সদস্যের গোপন সংগঠন ১০ দিনে কী বের করতে পারে।
দুর্বল কী (Weak Keys)
- ২⁵⁶ সম্ভাব্য কীর মধ্য ৪টি দুর্বল কী (Weak Keys) রয়েছে।
- দুর্বল কী: প্যারিটি ড্রপের পর সব ০, সব ১, বা অর্ধেক ০ অর্ধেক ১।
- এই কীগুলো থেকে জেনারেটেড রাউন্ড কীগুলো একই হয় এবং সাইফার কীয়ের মতো প্যাটার্ন ফলো করে।
- উদাহরণ: প্রথম কী থেকে ১৬টি রাউন্ড কী সব ০; দ্বিতীয় কী থেকে অর্ধেক ০ অর্ধেক ১। কারণ: কী-জেনারেশন অ্যালগরিদম কীকে দুটি হাফে ভাগ করে। শিফট বা পারমিউটেশন ব্লককে নয় বদলে যদি সেটি সব ০ বা সব ১ হয়।