সাইবার সিকিউরিটিতে অ্যাসেট (Asset) এর ধারণা এবং শ্রেণিবিন্যাস
সাইবার সিকিউরিটির প্রেক্ষাপটে অ্যাসেট বলতে কোনো সংস্থার যেকোনো ডেটা, ডিভাইস বা সিস্টেমের অংশকে বোঝায় যেগুলোর মূল্য আছে—বিশেষ করে যেগুলো সংবেদনশীল তথ্য ধারণ করে বা সেটিতে অ্যাক্সেস দেয়।
অ্যাসেটের ধরন
- কর্মচারীদের ডেস্কটপ, ল্যাপটপ, কোম্পানির ফোন
- এই ডিভাইসগুলোর ওপর ইনস্টল করা সফটওয়্যার
- সেনসিটিভ ডেটা ধারণকারী সার্ভার ও ডাটাবেস
- নেটওয়ার্ক ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডিভাইস (রাউটার, স্যুইচ, ফায়ারওয়াল)
- ক্লাউড রিসোর্স এবং সার্ভিসেস
অ্যাসেট ক্লাসিফিকেশন (শ্রেণিবিন্যাস)
তথ্য সংবেদনশীলতা এবং অনধিকার প্রত্যাহারের ফলাফলের উপর ভিত্তি করে অ্যাসেটকে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়। সাধারণত চারটি লেভেল থাকে: Public, Internal-only, Confidential, Restricted।
CISSP-এ Asset Security ডোমেইন
CISSP পরীক্ষার ডোমেইন ২: Asset Security-এ তথ্য ও অ্যাসেট ক্লাসিফিকেশন, ওনারশিপ কনসেপ্ট, প্রাইভেসি প্রোটেকশন, ডেটা রিটেনশন রিকোয়ারমেন্ট এবং সিকিউরিটি কন্ট্রোল শিখা হয়।
তিনটি প্রধান সিকিউরিটি ক্যাটাগরি
- Management Security Control (ব্যবস্থাপনা সিকিউরিটি কন্ট্রোল)
- Operational Security Control (অপারেশনাল সিকিউরিটি কন্ট্রোল)
- Physical Security Control (ফিজিক্যাল সিকিউরিটি কন্ট্রোল)
NIST-এ অ্যাসেটের সংজ্ঞা
NIST SP 800-160 অনুযায়ী, অ্যাসেট হলো সংস্থার ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য অর্জনে সহায়তা করে যেকোনো আইটেম।
থ্রেট মডেলিং-এ অ্যাসেট
থ্রেট মডেলের প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো অ্যাসেট চিহ্নিত করা, কারণ অ্যাসেটই থ্রেটের লক্ষ্য।
নেটওয়ার্ক এসেট ডিসকভারি
সংস্থার নেটওয়ার্কে থাকা সমস্ত রিসোর্স—অ্যাপ্লিকেশন, সার্ভিস, কর্মচারীদের একাউন্ট, থার্ড-পার্টি সার্ভিস—ট্র্যাক রাখার প্রক্রিয়া।