সারসংক্ষেপ
Skype কম্পিউটার-টু-কম্পিউটার কলের জন্যও বিশ্ববিখ্যাত, WhatsApp স্মার্টফোন-ভিত্তিক যোগাযোগের রাজা। উভয়ই ফ্রি ভয়েস/ভিডিও কল ও মেসেজিং দেয়।
মূল تفاوت
| Skype | |
|---|---|
| কম্পিউটার/ট্যাবলেট ব্যবহারকারীদের জন্য সেরা | স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জন্য সেরা |
| বিশাল ফিচার সেট | কলিং-ফোকাসড সادা ইন্টারফেস |
| ফ্রি, প্রিমিয়াম অ্যাকাউন্ট আছে | পুরোপুরি ফ্রি |
Skype ডেস্কটপ-ভিত্তিক, WhatsApp মোবাইল-ফাস্ট। আজকাল যোগাযোগ পকেটে আঁচায়, সেক্ষেত্রে WhatsApp জিতেছে। Skype ব্যবসায়িক ব্যবহারের জন্য উপযোগী: স্ক্রিন শেয়ারিং, ফাইল শেয়ারিং, কল রেকর্ডিং, লাইভ সাবটাইটেল, কনফারেন্স ভিডিও কল, বিদ্যমান ফোন নম্বর ব্যবহার।
নোট: WhatsApp Facebook-এর মালিকানা। কেউ এটাকে ইতিবাচক মনে করেন, কেউ নেটিবাচক।
ব্যবহারকারীর সংখ্যা (২০১৭ সালের তথ্য)
- Skype: প্রায় ১.৩৩ মিলিয়ন
- WhatsApp: প্রায় ১.৫ বিলিয়ন
অধিক ব্যবহারকারী থাকলে ফ্রি কলের সুযোগ বেশি। WhatsApp মোবাইলে শাসন করছে।
কন্ট্যাক্ট এক্সেস
- Skype: নিকনেম/ইউজারনেম দিয়ে ইউজার খুঁজে, আলাদা বাডি লিস্ট লাগে।
- WhatsApp: ফোন নম্বর দিয়ে চেনা, ফোনের কন্ট্যাক্ট লিস্ট থেকেই সরাসরি যোগাযোগ। কোনো ইউজারনেম বা পূর্ব পেরিচয় প্রয়োজন নেই।
কল কোয়ালিটি
- Skype: মালিকানাধীন কোডেক, HD ভয়েস, দশক ধরে শুদ্ধিকরণ—সবচেয়ে ভালো কল কোয়ালিটি।
- WhatsApp: ভালো কোয়ালিটি, কিন্তু ড্রপড কল ও ইকো সমস্যা থাকে।
খরচ (ডেটা খরচ)
- দুইটোই ফ্রি অনলিমিটেড ভয়েস কল।
- Skype-এর ভালো কোয়ালিটির মানে বেশি ডেটা খরচ। ৩G/4G-এ WhatsApp সস্তা। Wi-Fi-তে পার্থক্য নেই।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
- ফিচার ও কল কোয়ালিটি চাইলে Skype (ডেস্কটপ/অফিসের জন্য সেরা)।
- বন্ধু-পরিবার WhatsApp ব্যবহার করলে WhatsApp (দৈনন্দিন মোবাইল যোগাযোগের জন্য সেরা)।