আপনার উইন্ডোজ ১০ সাধারণ চেয়ে বেশি সময় নিচ্ছে বুট হতে? ডেস্কটপ লোড হওয়ার পরও ফাইল, ফোল্ডার বা প্রোগ্রাম খুলতে দেরি হচ্ছে? এই সমস্যা সমাধানের একটি সহজ উপায় রয়েছে। এই গাইডে স্টার্টআপ ম্যানেজার সফটওয়্যার ব্যবহার করে উইন্ডোজ ১০ বুট স্পিড বাড়ানোর পদ্ধতি ব্যাখ্যা করা হলো।
স্টার্টআপ ম্যানেজার সফটওয়্যার দিয়ে উইন্ডোজ ১০ বুট স্পিড বাড়ানোর পদ্ধতি
স্টার্টআপ ম্যানেজার সফটওয়্যার ব্যবহারকারীকে সিস্টেম রিবুট হলে যেসব প্রোগ্রাম স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয় সেগুলো দেখতে এবং পরিবর্তন করতে সাহায্য করে। অন্যথায় এগুলো দেখা ও ম্যানেজ করা কঠিন। সেরা স্টার্টআপ ম্যানেজার অ্যাপ্লিকেশনগুলোতে একটি হলো Advanced System Optimizer—একটি মাল্টি-ইউটিলিটি টুল যা বহু কার্য করতে পারে।
Advanced System Optimizer স্টার্টআপ ম্যানেজার হিসেবে ব্যবহার করে উইন্ডোজ ১০ বুট স্পিড বাড়ানোর ধাপ:
ধাপ ১: অফিসিয়াল লিংক থেকে Advanced System Optimizer ডাউনলোড ও ইনস্টল করুন।

ধাপ ২: ক্রয় করার পর ইমেইলে প্রাপ্ত কী দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন রেজিস্টার করুন।
ধাপ ৩: অ্যাপ উইন্ডোর বাম প্যানেলে সবচেয়ে নিচে "Regular Maintenance" অপশনটি খুঁজে ক্লিক করুন।

ধাপ ৪: ডান প্যানেল থেকে "Startup Manager" ক্লিক করুন, নতুন অ্যাপ উইন্ডো খুলবে।
ধাপ ৫: নতুন উইন্ডোর মাঝপথে "Manage Startup" বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৬: সব ইউজারের স্টার্টআপ আইটেম লিস্ট দেখাবে। বাম প্যানেল থেকে "Current User" ট্যাব ক্লিক করলে আরও প্রোগ্রাম দেখাবে।

নোট: যে প্রোগ্রামগুলো আপনি না জেনে অনচেক করবেন না—হয়তো সেগুলো উইন্ডোজ ১০-এর ক্রিটিক্যাল সার্ভিস যা স্টার্টআপে চালু থাকতে হয়।
ধাপ ৭: যেসব প্রোগ্রাম রিবুটের সময় চালু হয়ে যাবেন না সেগুলো আনচেক করে স্ক্রিনের নিচে ডান কোণে "Disable" বাটনে ক্লিক করুন।
ধাপ ৮: কনফার্মেশন প্রম্পটে "Yes" ক্লিক করে প্রোগ্রাম থেকে বের হয়ে যান।
নোট: স্টার্টআপ থেকে প্রোগ্রাম বাদ দিলে উইন্ডোজ ১০ রিবুট হয়ে কম সময় নেবে, যা আপনার সমস্যা সমাধান করবে।
বাজারে অন্যদের চেয়ে Advanced System Optimizer কেন বেছে নেব?
"কেন ASO?"—এটা আপনার মনে প্রশ্ন হতে পারে। Advanced System Optimizer শুধু স্টার্টআপ ম্যানেজার নয়, এটি একটি সম্পূর্ণ অ্যাল-ইন-ওয়ান মাল্টি-ইউটিলিটি টুল। এটি কম্পিউটারের পারফরম্যান্স বাড়াতে অনেক অপ্টিমাইজেশন টাস্ক করতে পারে। Advanced System Optimizer-এর কিছু অপরিহার্য ফিচার:
রেজিস্ট্রি অপ্টিমাইজেশন। রেজিস্ট্রি কম্পিউটারের লাইব্রেরি বলে ডাকা হয় কারণ এতে কম্পিউটারের সব সেটিংর রেকর্ড থাকে। যেমন আসল লাইব্রেরি কখনো কখনো ঝাড়ু দিতে হয়, তেমনি কম্পিউটারের রেজিস্ট্রিকেও সময়ানুসারে ক্লিনিং ও অপ্টিমাইজেশন দরকার।
হার্ড ডিস্ক অপ্টিমাইজেশন। ASO বুট সময় হ্যার্ড ড্রাইভ চেক করে সফটওয়্যার এরর ফিক্স করার চেষ্টা করে।
উইন্ডোজ ১০ অপ্টিমাইজেশন। স্লো কম্পিউটারের একটি বড় কারণ হলো র্যাম قدرত চেয়ে বেশি অক্সূপেশ। এই কেসে র্যাম বুস্টার অপশন ব্যাকগ্রাউন্ড প্রোগ্রাম বন্ধ করে সিস্টেম দ্রুত করে।
এগুলো কেবল Advanced System Optimizer-এর কিছু ফিচার—যেন পিজার টপিংস মাত্র। পুরো বেস বাকি আছে, কারণ এই অপ্টিমাইজারjerne অনেক ফিচার আছে যা আপনি সायद জানতেন না। এই একটিমাত্র মাল্টি-ইউটিলিটি টুল দিয়ে আপনি কমপক্ষে ১০টি অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশন আনইনস্টল করতে পারেন।
শেষ কথা
শেষ পর্যন্ত, আপনার কম্পিউটার বুট হতে সময় নিচ্ছে কারণ ওএস-এর সাথে যেসব অ্যাপ্লিকেশন স্টার্ট হয়। অধিকাংশ স্টার্টআপ অ্যাপ (বিশেষ করে থার্ড-পার্টি) ডিসএবল রাখা ভালো, যেগুলো পরে ম্যানুয়ালি চালানো যায়। শুধু স্টার্টআপ ম্যানেজার সফটওয়্যারই স্টার্টআপ প্রোগ্রাম চিনে ডিসএবল করে উইন্ডোজ ১০ বুট স্পিড বাড়াতে পারে।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ফলো করুন—ফেসবুক এবং টوییটার। কোনো প্রশ্ন বা পরামর্শ হলে কমেন্টে জানান, আমরা সমাধান দিতে চেষ্টা করব। আমরা টেকনোলজি সম্পর্কিত টিপস, ট্রিকস ও সাধারণ সমস্যার সমাধান নিয়মিত পোস্ট করি।