রিলেশনাল ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS) আধুনিক ইন্ডাস্ট্রির ব্যাকবোন। শীর্ষ ৩ পপুলার RDBMS: Microsoft SQL Server, Oracle PL/SQL, এবং MySQL।
ইতিহাস
- Oracle: ১৯৮০-এর দশকে কমার্শিয়াল RDBMS বাজারে আনলো।
- Microsoft SQL Server: ১৯৯০-এর মাঝপথে Oracle-এর প্রতিযোগী হিসেবে ঢুকলো।
- MySQL: ১৯৯৫ সালে ওপেন-সোর্স হিসেবে রিলিজ, ১৯৯৮ সালে উইন্ডোজ ভার্সন। ২০০৮ সালে Sun দ্বারা অ্যাকোয়ার্ড, পরে Oracle দ্বারা।
কোয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ (SQL ডায়ালেক্ট)
| ডেটাবেস | ল্যাঙ্গুয়েজ | বৈশিষ্ট্য |
|---|---|---|
| MS SQL Server | T-SQL (Transact-SQL) | Sybase-এ বিকসিত, Microsoft এক্সটেন্ডেড। সিম্পল, ইজি টু ইমপ্লিমেন্ট। |
| Oracle | PL/SQL (Procedural Language/SQL) | কমপ্লেক্স, পাওয়ারফুল। প্রোসিজার প্যাকেজে গ্রুপ করা যায়। |
| MySQL | SQL/PSM (Light T-SQL + Procedural) | ANSI স্ট্যান্ডার্ডের নিকট, কিন্তু T-SQL/PL/SQL-এর 만큼 ডেপথ নেই। |
ট্রানজেকশন কন্ট্রোল
- MS SQL Server: ডিফল্টে অটো-কমিট। এক্সপ্লিসিট
BEGIN TRANSACTION,COMMIT,ROLLBACKদরকার। - Oracle: প্রতিটি কানেকশন = নতুন ট্রানজেকশন। কমিট না হওয়া পর্যন্ত চেঞ্জ মেমরিতে থাকে (ক্যাশে)। বেশি ফ্লেক্সিবিলিটি ও এরর কন্ট্রোল।
- MySQL: InnoDB স্টোরেজ ইঞ্জিনে ACID-কম্প্লায়েন্ট ট্রানজেকশন, ফরেন কি সাপোর্ট।
ডেটাবেস অবজেক্ট অর্গানাইজেশন
- MS SQL Server: ডেটাবেস নাম অনুযায়ী (টেবল, ভিউ, প্রোসিজার)। প্রতিটি ডেটাবেসের প্রাইভেট ডিস্ক ফাইল।
- Oracle: স্কিমা (Schema) অনুযায়ী। সব অবজেক্ট শেয়ার্ড, কিন্তু রোল/পারমিশন দিয়ে সীমাবদ্ধ করা যায়।
- MySQL: ডেটাবেস = স্কিমা (প্রায় একই অর্থে)।
সারসংক্ষেপ: MySQL, Oracle, SQL Server — তিনটিই শক্তিশালী RDBMS। আন্ডার-দ-হুড имপ্লিমেন্টেশন ভিন্ন হলেও প্রায় সমান উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যায়। পরিবেশ, বাজেট, টিম এক্সপার্টাইজ অনুযায়ী বেছে নিন।