নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি নিশ্চিত কীভাবে করবেন?
শক্তিশালী অথেন্টিকেশন মেথড ব্যবহার করুন। কম্পিউটারে লেটেস্ট সিকিউরিটি প্যাচ ইনস্টল রাখুন। ইকুইপমেন্ট ও পোর্ট ফিজিক্যালি সিকিউর করুন। কর্মীদের সাইবার-সিকিউরিটি নর্মস শিখিয়ে তাদের গুরুত্ববোধ করান।
কর্মস্থলে নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি উন্নত করার উপায়
গাইডেন্স ও ট্রেনিং দিয়ে কর্মীদের স্পষ্ট করুন কী আশা করা হয়। ডিভাইস স্যানিটাইজ না হওয়া পর্যন্ত নেটওয়ার্কে সংযুক্ত করবেন না। অননুমোদিত সফটওয়্যার ডিভাইসে চেক করুন। সন্দেহজনক অ্যাক্টিভিটি মনিটর ও রিপোর্ট করুন।
সংস্থাকে নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি দেয়ার পদ্ধতি
সংবেদনশীল ডেটা হ্যান্ডলিং। জটিল পাসওয়ার্ড ও পাসওয়ার্ড ম্যানেজার। ২FA (টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন) áp dụng করুন। VPN ব্যবহার করুন। কীভাবে সাহায্য করতে পারেন সেটি জানান। USB কেবল সুরক্ষিতভাবে ব্যবহার করুন। ফিশিং প্রতিরোধ পদ্ধতি।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি নিশ্চিতকরণ (পুনরাবৃত্তি)
ফায়ারওয়াল পারফরমেন্স ইনস্টল ও মনিটর করুন। প্রতি কোয়ার্টারে পাসওয়ার্ড আপডেট করুন। অ্যাডভান্সড এন্ডপয়েন্ট ডিটেকশন বেছে নিন। VPN তৈরি করুন। প্রশিক্ষিত কর্মী নিয়োগ করুন। স্প্যাম ইমেইল ফিল্টার করে ডিলিট করুন। কম্পিউটার ব্যবহার না করলে শাট ডাউন করুন। ফাইল এনক্রিপ্ট করে রক্ষা করুন।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটিতে কী কী উপকারী?
নেটওয়ার্ক রক্ষার সফটওয়্যার সিস্টেম থাকলে কোম্পানির ডেটা লস রিস্ক কমে। নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি দিয়ে সুরক্ষিত ওয়ার্কস্টেশন ম্যালওয়্যারেরต่อ কম আক্রান্ত হয়। শেয়ারড ডেটার সিকিউরিটি নিশ্চিত হয়। হাই-ভলিউম ট্রাফিক সিস্টেমের স্থিতিশীলতা বिगিয়ে ভালনারবিলিটি সৃষ্টি করতে পারে।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি উন্নত করার উপায়
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি অন করুন। রাউটার সিকিউরিটি পলিসি সেটআপ করুন। সফটওয়্যার আপডেট রাখুন। নেটওয়ার্কে ফায়ারওয়াল ইনস্টল করুন। অপ্রয়োজনীয় সফটওয়্যার ও সার্ভিস আনইনস্টল করুন। ক্যামেরা ব্লক করুন। ডিজাস্টার রিকভারির জন্য ডেটা ব্যাকআপ নিন।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি দেয়ার পদ্ধতি
অ্যাক্সেস কন্ট্রোল। ম্যালওয়্যার ডিটেকশন ও রিমUভাল প্রোগ্রাম। অ্যানোমালি ডিটেকশন। অ্যাপ্লিকেশন কোড সিকিউরিটি। ডেটা লস প্রিভেনশন। ইমেইল সিকিউরিটি। এন্ডপয়েন্ট প্রোটেকশন। ফায়ারওয়াল।
সংস্থায় নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি কেন গুরুত্বপূর্ণ?
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ: সফটওয়্যার সিস্টেম দিয়ে নেটওয়ার্ক রক্ষা করলে ডেটা লস রিস্ক কমে। সুরক্ষিত ওয়ার্কস্টেশন ম্যালওয়্যারের প্রতি কম আক্রান্ত হয়। শেয়ারড ডেটার সিকিউরিটি নিশ্চিত হয়।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির উদাহরণ
অ্যাক্সেস কন্ট্রোল। এন্টিভাইরাস ও অ্যান্টিস্পাইওয়্যার। অ্যাপ্লিকেশন কোড সিকিউরিটি। বিহেভিয়োরাল অ্যানালিটিক্স। ডেটা লস প্রিভেনশন। DDoS প্রিভেনশন। ইমেইল সিকিউরিটি। ফায়ারওয়াল।