নেটওয়ার্ক হুমকি কী?
নেটওয়ার্ক ভালনারেবিলিটি বা অসাংবিধানিক কাজ দিয়ে যেকোনো অ্যাকশন নেটওয়ার্ক হুমকি বলা হয়। তথ্য ও ডেটা সাবোটেজ, ক্ষতি বা ব্রিচ করে কোম্পানিকে ক্ষতি পৌঁছে দেওয়া এই উদ্দেশ্য।
নেটওয়ার্ক সুরক্ষায় হুমকি ও আক্রমণ কী?
হুমকি হলো সিস্টেম বা সম্পদের ভালনারেবিলিটি ব্যবহার করে সম্ভাব্য সিকিউরিটি লঙ্ঘন। আক্রমণকারী হলো যারা স/system ও সম্পদের ওপর সক mapper আক্রমণ চালায়। আক্রমণ অ্যাক্টিভ বা প্যাসিভ হতে পারে। আক্রমণের পেছনে মোটিভ থাকে এবং সুযোগ পেলে geplanned হয়।
হুমকি ও এর প্রকার কী?
যেকোনো জিনিস (বস্তু, পদার্থ, ব্যক্তি) সম্পদে ক্ষতি পৌঁছে দিতে পারে সেটি হুমকি। টরনেডো, বন্যা, হ্যাকার—সবই হুমকি। মনে রাখবেন হুমকি বলতে ফোর্স (পানি, বাতাস, এক্সপ্লয়েট কোড) বোঝায়।
নেটওয়ার্ক হুমকির প্রকার কী?
ম্যালওয়্যার ইনফেকশন। ফিশিং স্ক্যাম। ব্রুট ফোর্স আক্রমণ। সার্ভিস বাধা (DoS)। ডেটা ইন্টারসেপশন ও চুরি। SQL ইনজেকশন। অপর্যাপ্ত নেটওয়ার্ক পলিসি। মানব ভুল।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি হুমকির প্রকার কী?
ভাইরাস, ওয়ার্ম, স্পাইওয়্যার, র্যানসমওয়্যার ইত্যাদি ম্যালওয়্যার। Emotet। ডিনায়াল অফ সার্ভিস আক্রমণ। ম্যান-ইন-দ্য-মিডল। ফিশিং। SQL ইনজেকশন। পাসওয়ার্ড অ্যাটাক।
নেটওয়ার্ক সুরক্ষার সবচেয়ে বড় হুমকি কী?
১) সোশ্যাল হ্যাকিং—কর্মীরা এখনো সোশ্যাল মিডিয়া দিয়ে আক্রমিত হচ্ছেন। ২) র্যানসমওয়্যার। ৩) ভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়া। ৪) এক্টিভ সাইবার সিকিউরিটি মনিটরিং। ৫) আনপ্যাচড ভালনারেবিলিটি। ৬) DDoS আক্রমণ।
সুরক্ষার ৫টি হুমকি কী?
ফিশিং আক্রমণ। ম্যালওয়্যার আক্রমণ। র্যানসমওয়্যার। ভাইরাস ছড়িয়ে দেওয়া। দুর্বল পাসওয়ার্ড। ইনসাইডার থ্রেট। সংক্ষিপ্ত সারাংশ।
নেটওয়ার্ক হুমকির প্রকার (আরেকটি তালিকা)
কম্পিউটার ভাইরাস। র্যাগ সিকিউরিটি সফটওয়্যার। ট্রোজান হর্স। স্পাইওয়্যার ও অ্যাডওয়্যার। কম্পিউটার ওয়ার্ম। DoS/DDoS আক্রমণ। ফিশিং স্ক্যাম। এক্সপ্লয়েট কিট।
নেটওয়ার্ক হুমকির কারণ কী?
অনধিকৃত অ্যাক্সেসের কারণ: দুর্বল পাসওয়ার্ড, সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিরক্ষার অভাব, পূর্বে আক্রমিত অ্যাকাউন্ট। আক্রমণকারী বটনেট বানায় (আক্রমিত ডিভাইসের সমষ্টি) এবং মিথ্যা ট্রাফিক আপনার নেটওয়ার্কের দিকে নির্দেশ করে।
নেটওয়ার্ক আক্রমণ কী?
অনুমতি না থাকা ইউজার সংস্থার ডিজিটাল সম্পদ অ্যাক্সেস করলে নেটওয়ার্ক আক্রমণ হয়। প্যাসিভ নেটওয়ার্ক আক্রমণে ম্যালিসাস পার্টি অনধিকৃত অ্যাক্সেস পায়, মনিটর করে, প্রাইভেট ডেটা চুরি করে কিন্তু ডেটা পরিবর্তন করে না। নেটওয়ার্ক আক্রমণে ডেটা মডিফাই, এনক্রিপ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
হুমকি ও আক্রমণ কী?
হুমকি হলো এমন কন্ডিশন বা পরিস্থিতি যা সিস্টেম বা সম্পদের ক্ষতি করতে পারে। সহজ কথায়, আক্রমণ হলো সিস্টেম বা সম্পদের ক্ষতি করার সচেতন চেষ্টা। তথ্য পরিবর্তন বা ক্ষতির সম্ভাবনা নিম্ন থেকে অতिउচ্চ পর্যন্ত হতে পারে।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটিতে আক্রমণের বিভিন্ন প্রকার কী?
ম্যালওয়্যার: স্পাইওয়্যার, র্যানসমওয়্যার, ভাইরাস, ওয়ার্ম। ফিশিং। স্পুফিং আক্রমণ। ডিনায়াল অফ সার্ভিস। SQL ইনজেকশন। জিরো-ডে এক্সপ্লয়েট। DNS টানেলিং।
নেটওয়ার্কিং-এ আক্রমণ কী?
বাহ্যিক সোর্স থেকে কম্পিউটার আক্রমণ হলো নেটওয়ার্ক আক্রমণ। নেটওয়ার্ক আক্রমণে কেউ অনধিকৃত অ্যাক্সেস পাওয়ার চেষ্টা করে ডেটা চুরি বা সংস্থাকে ক্ষতি করার জন্য। ডেটা হ্যান্ডলিং ও করা হয়—ডিলিট, এনক্রিপ্ট, বা অন্য ক্ষতি।
হুমকি ব্যাখ্যা করুন প্রকার ও উদাহরণসহ।
সিকিউরিটি লঙ্ঘন করে পাবলিক ইন্টারনেট বা অন্যান্য অবজেক্ট ডিলিট বা ক্ষতিগ্রস্ত করার যেকোনো সম্ভাবনা। সফটওয়্যার আক্রমণ: ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স। অনেক ইউজার ম্যালওয়্যার, ভাইরাস, ওয়ার্ম, বটকে একই জিনিস মনে করেন।
ছয়টি সাধারণ হুমকির প্রকার কী?
সাইবার ক্রাইম: মুদ্রা আয় মূল লক্ষ্য। হ্যাকটিভিজম: পাবলিসিটি মূল প্রেরণা। ইনসাইডার থ্রেট। ফিজিক্যাল থ্রেট। টেররিজম। এসপিয়োনেজ (গুপ্তচর)।
কম্পিউটার সিকিউরিটির হুমকির বিভিন্ন প্রকার কী?
প্রধানত তিনটি ধরনের সাইবার আক্রমণ: ম্যালওয়্যার, ফিশিং, ভিশিং। ফিশিং স্ক্যাম। স্পিয়ার ফিশিং—সবচেয়ে সাধারণ ফিশিং। ম্যান-ইন-দ্য-মিডল আক্রমণ। ডিনায়াল অফ সার্ভিস। SQL ইনজেকশন। জিরো-ডে এক্সপ্লয়েট। T থ্রেট।
থ্রেট এজেন্টের তিন প্রকার কী?
ম্যালিসাস হ্যাকার, আর্গানাইজড ক্রাইম, ইনসাইডার (ডেভেলপার ও সিস্টেম অ্যাডমিনসহ), টেররিস্ট—এই সবাই থ্রেট এজেন্ট। কেউ বা কিছুর ক্ষতি করার দায়বদ্ধ বা ইচ্ছা।
৪ ধরনের হুমকি কী? (পুনরাবৃত্তি)
Direct, indirect, veiled, conditional threats। ডাইরেক্ট হুমকি হলে টার্গেট স্পষ্ট এবং হুমকি স্পষ্টভাবে দেয়া থাকে।
নেটওয়ার্ক সিকিউরিটি হুমকির চারটি প্রধান প্রকার কী?
Unstructured threats। Structured threats। Internal threats। External threats।