পি-টু-পি নেটওয়ার্ক কীভাবে ইন্টারনেট শেয়ার করে?
প্রথমে ডেস্কটপে থাকা নিশ্চিত করুন। ধাপ ২: ফোল্ডার তৈরি করুন। ধাপ ৩: ফোল্ডারের Properties খুলুন। ধাপ ৪: কাকে শেয়ার করবেন সেটি বেছে নিন। ধাপ ৫: ফোল্ডার শেয়ার করুন। ধাপ ৬: পারমিশন সেট করুন। ধাপ ৭: কন্ট্রোল প্যানেলের Components ট্যাবে যান। ধাপ ৮: Networking and Sharing সম্পর্কে জানুন।
পি-টু-পিতে সিকিউরিটি কীভাবে রক্ষা করা হয়?
পি-টু-পি নেটওয়ার্ক সবচেয়ে সহজ নেটওয়ার্ক টাইপ। শেয়ারড রিসোর্স কোনো সেন্ট্রাল সার্ভার দ্বারা কন্ট্রোল হয় না। বরং লোকাল মেশিনগুলো রিসোর্স ধারণ করে। প্রতিটি ব্যবহারকারী নিজের কম্পিউটারের রিসোর্সের অ্যাক্সেস কন্ট্রোল করার জন্য নিজেরাই দায়ী।
পি-টু-পি নেটওয়ার্ক কীভাবে কাজ করে?
সার্ভারের বরং পি-টু-পি নেটওয়ার্কে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার সরাসরি যোগাযোগ করে। কোনো সেন্ট্রাল সার্ভার প্রয়োজন নেই কারণ পিয়াররা সরাসরি একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে। একাধিক পিয়ার একই অবজেক্ট শেয়ার করলে আরও বেশি পিয়ার সেটি দেখতে পারে।
পি-টু-পি নেটওয়ার্কের উদাহরণ
উবুন্টু, লিনাক্স মিন্ট, মঞ্জারো—এগুলো ভালো উদাহরণ। উইন্ডোজ ৮-এর লেটেস্ট ভার্সন পূর্বের ভার্সনের সাথে কম্প্যাটিবল। প্রথম কেসে, আড-হোক নেটওয়ার্ক ব্যবহার করলে দুটি কম্পিউটারের মাঝে পি-টু-পি নেটওয়ার্ক তৈরি হয়।
পি-টু-পি নেটওয়ার্কিং কী?
P2P নেটওয়ার্কিং-এ কম্পিউটার টার্মিনাল একে অপরের সাথে লিংক করা থাকে একই অথরিটি ও রেসপอนসিবিলিটির সাথে। প্রথাগত ক্লায়েন্ট-সার্ভার আর্কিটেকচারের মত P2P নেটওয়ার্ক শুধু সার্ভ বা রিসিভ করার জন্য ডিজাইন করা হয় নাই।
পি-টু-পি নেটওয়ার্কিংর ভূমিকা
দুটি বা অধিক কম্পিউটার এক সিস্টেমে সংযুক্ত করা হলো পি-টু-পি নেটওয়ার্ক। আলাদা সার্ভার ছাড়া ডেটা শেয়ারিং সহজ ও উপভোগ্য।
ইন্টারনেট কি পি-টু-পি নেটওয়ার্ক?
"Peer to peer" এর সংক্ষিপ্ত রূপ P2P। P2P নেটওয়ার্কে পিয়ার কম্পিউটাররা ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে যোগাযোগ করে। নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটারের মাঝে ফাইল শেয়ার করার জন্য কোনো সেন্ট্রাল সার্ভার লাগে না। P2P নেটওয়ার্ক মূলত প্রতিটি ডিভাইসকে একসাথে সার্ভার ও ক্লায়েন্ট বানিয়ে দেয়।
পি-টু-পি ইন্টারনেট কী?
পি-টু-পি নেটওয়ার্কে দুটি বা অধিক পিসি আলাদা সার্ভার ছাড়া ফাইল শেয়ার করতে পারে এবং প্রিন্টার মতো ডিভাইস অ্যাক্সেস করতে পারে। USB কানেকশন দিয়ে কম্পিউটারের মাঝে ফাইল ট্রান্সফার করা যায়।
পি-টু-পি নেটওয়ার্কের উদাহরণ
বড় ফাইল ইন্টারনেটের মাধ্যমে শেয়ার করার জন্য P2P নেটওয়ার্ক ব্যবহার হয়। অনেক লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম বিটটরেন্ট বা P2P ডাউনলোড দ্বারা বিতরণ হয়। উদাহরণ: উবুন্টু, লিনাক্স মিন্ট, মঞ্জারো।
সিকিউরিটিতে P2P কী?
এক কম্পিউটার থেকে অন্যে ফাইল ডাউনলোড করা হয়, কিন্তু তারা ফাইল শেয়ার করতেও পারে। সাধারণত নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন যা কম্পিউটারে ইনস্টল করা থাকে (ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার, ফায়ারফক্স)। এই ইন্টারফেস দিয়ে Kazaa বা Limewire অ্যাক্সেস করা হয়। ফাইল শেয়ারিং নেটওয়ার্ক কিছুটা সিকিউরিটি রিস্ক বহন করে।
P2P নেটওয়ার্কের সিকিউরিটি রিস্ক
ম্যালিশিয়াস কোড ইনস্টলেশন—P2P প্রোগ্রাম ব্যবহার করলে ফাইলের সোর্স বেনামী থাকতে পারে। আক্রমণকারী এই অ্যাপ্লিকেশন দিয়ে ম্যালিশিয়াস কোড ছড়িয়ে দেয়। ভাইরাস ও ট্রোজান হোর্স ফাইলের ভেতর লুকিয়ে রাখা হয়।
P2P-এ কী কী সমস্যা হয়?
ইন্টারনেট ব্যবহারকারী একে অপরের সাথে মিউজিক ও ভিডিও শেয়ার করে P2P কন্টেন্ট শেয়ারিং নেটওয়ার্কে। কপিরাইটকৃত কাজের একাধিক কপি বানানো অবৈধ। এছাড়া UT বা ISP পলিসি লঙ্ঘনও হয়ে থাকে (ব্যান্ডউইথ খরচ)।
পি-টু-পি নেটওয়ার্কের সুবিধা
দূর দুরান্তে সহজ ফাইল শেয়ারিং। আলাদা সার্ভার মেশিন লাগে না বলে সেটআপ খরচ কম। সহজে নতুন ক্লায়েন্ট যোগ করা যায়।
পি-টু-পি সার্ভিস কী?
P2P সার্ভিস হলো ডিসেন্ট্রালাইজড প্ল্যাটফর্ম যেখানে দুজন ব্যক্তি বাহ্যিক মধ্যস্থতা ছাড়া সরাসরি যোগাযোগ করে। ক্রেতা ও বিক্রেতা সরাসরি লেনদেন করতে পারে।