সাইবার নিরাপত্তায় সরকারি সংস্থার ভূমিকা
যুক্তরাষ্ট্রে সাইবার নিরাপত্তা কৌশল তৈরি ও তদারকি করার দায়িত্ব প্রধানত হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (DHS)-এর অধীনেある সাইবার নিরাপত্তা ও অবকাঠামো নিরাপত্তা ഏজেন্সি (CISA)-র ওপর। রাষ্ট্রপতি বাইডেন সাইবার নিরাপত্তাকে প্রশাসনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার घোষণা করেছেন।
প্রধান সরকারি এজেন্সিগুলো
- CISA (সাইবার নিরাপত্তা ও অবকাঠামো নিরাপত্তা ഏজেন্সি): দেশের সাইবার নিরাপত্তা কৌশল নির্দেশনার মূল দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা। এটি DHS-এর একটি একক।
- NSA (জাতীয় নিরাপত্তা ഏজেন্সি): বিদেশি সাইবার আক্রমণ আটকাতে এবং শত্রুদের বিরুদ্ধে আক্রমণমূলক সাইবার অপারেশন চালাতে দায়িত্বপ্রাপ্ত। ৩০,০০০-৪০,০০০ কর্মীর সাথে এটি বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল যোগাযোগের নেতৃত্ব দেয়।
- FBI, ডিপার্টমেন্ট অফ জাস্টিস, অন্যান্য গুপ্তচর সংস্থা: সমন্বিত প্রচেষ্টায় সাইবার আতঙ্কবাদ ও অপরাধ মোকাবিলা করে।
সরকারের ভূমিকা
সরকার নাগরিকদের ইন্টারনেটে নিরাপদ রাখতে, সাইবার অপরাধ রোধ করতে, সমালোচনামূলক জাতীয় অবকাঠামো রক্ষা করতে এবং প্রযুক্তিগত উন্নতি উৎসাহিত করতে দায়বদ্ধ। ভারতে সাইবার অপরাধ ও সহযোগিতামূলক কাঠামো গড়ে তোলার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।
CISA-এর নেতৃত্ব
ক্রিস্টফার ক্রেবস CISA-এর প্রথম পরিচালক হিসেবে ১৫ জুন ২০১৮-এ শপথ নেন। তিনি এর আগে স্টেট ডিপার্টমেন্টের প্রধান তথ্য নিরাপত্তা কর্মকর্তা (CISO) ছিলেন। NPPD (ন্যাশনাল প্রোটেকশন অ্যান্ড প্রোগ্রামস ডাইরেক্টোরেট) থেকে CISA গঠন করা হয়েছে।
বাজেট ও কর্মশক্তি
২০১১ অর্থবছরে NCSD (ন্যাশনাল সাইবার সিকিউরিটি ডিভিশন)-র জন্য ৩৭৮ মিলিয়ন ডলার বাজেট প্রস্তাবিত ছিল, যেখানে ৩৪২ ফেডারেল কর্মী ৭৪৪ মিলিয়ন ডলার খরচে কাজ করতেন।